সিলেটের বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁ’ড়ির প’লাতক ই’নচার্জ এস’আই (বরখাস্ত) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি,

সোমবার দুপুরে কানাইঘাটের সী’মান্তবর্তী ডোনা এলাকা থেকে তাকে জে’লা পুলিশের একটি দল গ্রে’ফতার করেএদিকে, আ’টক করার কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক

যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইতোমধ্যে ভা’ইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যায়-একটি পাহাড়ি ছড়ায় পাথরের উপর আকবর হোসেনকে বসিয়ে রেখে

হা’ত-পা বাঁ’ধেন কয়েকজন যু’বক। এ সময় আকবর হোসেন হা’তজোড় করে কাঁ’দছিলেন এবং তার হা’ত-পা না বাঁ’ধার অনুনয় করছিলেন।

আকবর বলছিলেন, আমি মা’রিনি ভাই, আমি তাকে (রায়হানকে) প্রা’ণে মা’রার জন্য মা’রিনি। ৪-৫ জন মি’লে মে’রেছি, ওইসময় ছে’লেটা ম’রে গেছে।

অ’সুস্থ হওয়ার পর আমি তাকে হা’সপাতালে পাঠিয়েছি।এ সময় আকবর আরও বলেন, আমি অন্য কোনো কারণে ভাগিনাই। আমি ভাগছি, আমার সা’সপেনশন হয়েছে,

এ’রেস্ট হতে পারি, এই জন্য আমাকে বলা হয়েছে যে-দুইমাসের জন্য কোথাও চলে যাও, দুই মাস পর প’রিস্থিতি ঠান্ডা হলে বি’ষয়টা হ্যা’ন্ডেল করা যাবে।

আকবরকে আ’টককারী যু’বকরা এ সময় বাংলা ভাষার পাশাপাশি আদিবাসী ভাষায়ও কথা বলেন। এরপর আকবরের হা’ত-পা বেঁ’ধে পাহাড়ি ছড়া দিয়ে তাকে

হাঁ’টিয়ে নিয়ে আসেন ওই যু’বকরা।এদিকে, ভিডিওর যুবকদের কথাবার্তা ও এলাকা দেখে অনেকেই সে স্থানকে ভা’রত এবং যু’বকদের খাসিয়া আদিবাসী বলে মন্তব্য করছেন।

চিকিৎসার সাধ্য নেই বাবার, তবুও বাঁচতে চায় সুমি

নবম শ্রেণির ছা’ত্রী সুমি রানী। চার বোনের মধ্যে সে সবার ছোট। পড়াশোনা আর হাসি খুশিতেই সময় কাটছিল তার। হঠাৎই একদিন র’ক্ত বমি আর পেট ব্যথা সুমির।

কে জানে তার শরীরে বাসা বেধেছে মা’রাত্মক এক ব্যধি।অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যায় তার পেটের খাদ্যনালী ব্লক হয়েছে অসংখ্য ছোট বড় টিউমা’র দ্বারা।

তখন থেকেই তার খাওয়া দাওয়া বন্ধ। একের পর এক চিকিৎসা চলছে তার।সুমি বগুড়া শহরের হাসনা জাহান ভান্ডারী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছা’ত্রী।

শরীর শুকিয়ে হাড্ডি সার হয়ে গেছে তার। চেনা যায় না সুমিকে। সদরের শি’ববাটি এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ক্ষুদ্র কাঠের সামগ্রী বিক্রেতা রতন চন্দ্র মোহন্ত তার বাবা।

মে’য়ের দীর্ঘ চিকিৎসায় বাবার ক্ষুদ্র আয়ের সংসারেরও সব শেষ। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে না পেরে মা’থায় আকাশ ভেঙে পরার উপক্রম তার অসহায় বাবার।

মানুষের কাছে এখন হাত পেতে মে’য়ের চিকিৎসা চালাচ্ছেন তিনি।জীবন মৃ’ত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সুমি এই সুন্দর পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে চায়। চিকিৎসার অর্থের জন্য

সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ করেছে সে।সুমির মা শেফা’লী রানী মোহন্ত জানান, দুই মাস আগে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ

হাসপাতা’লের গ্যাস্ট্রোলিভা’র বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. নাইমুল হাসানের তত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু হয় সুমির। সেখানেই পর্যায়ক্রমে তার পেটের

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here