আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপারকে বরখাস্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার টুইটারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত জানান ট্রাম্প।

দেশটির ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের বর্তমান প্রধান ক্রিস্টোফার মিলার শিগগিরই মিস্টার এসপারের জায়গায় দায়িত্ব পালন করবেন।

অগাস্টে কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের দায়িত্ব নেয়ার আগে মিস্টার মিলার স্পেশাল ফোর্সের সাবেক সৈন্য হিসেবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে কাজ করেছেন।

মার্ক এসপার পদত্যাগের সিদ্ধান্তই নিয়েছিলেন, পদত্যাগপত্র জমা দিতেও যাচ্ছিলেন তিনি। নানা বিষয় নিয়েই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এসপারের মতানৈক্য চলছিল।

আনিসুলের পরিবারও একই অ’ভিযোগ করেছে। তারা জানিয়েছেন, ভর্তির পর পর হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে পি’টিয়ে হ’ত্যা করেছে।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় তারা পুলিশ কর্মকর্তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেছেন মাত্র। পরে তার মৃ’ত্যু হয়।

এদিকে হাসপাতাল থেকে সংগ্রহ করা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুলকে টানাহেঁচড়া করে একটি কক্ষে ঢোকানো হয়।

তাকে হাসপাতালের ছয়জন কর্মচারী মিলে মাটিতে ফে’লে চে’পে ধরেন। এর পর আরও দুজন কর্মচারী তার পা চে’পে ধরেন।

এ সময় মাথার দিকে থাকা দুজন কর্মচারীকে হাতের কনুই দিয়ে তাকে আ’ঘাত করতে দেখা যায়। হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আরিফ মাহমুদ তখন পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

একটি নীল কাপড়ের টুকরা দিয়ে আনিসুলের হাত পেছনে বাঁ’ধা হয়।কিছুক্ষণ পর আনিসুলকে উপুড় করা হয়।

তার শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ায় একজন কর্মচারী তখন তার মুখে পানি ছিটান। পরে কর্মচারীরা কক্ষের মেঝে পানি দিয়ে পরিষ্কার করেন।

সাত মিনিট পর সাদা অ্যাপ্রোন পরা একজন নারী কক্ষে প্রবেশ করেন। ১১ মিনিটের মাথায় কক্ষের দরজা লাগিয়ে দেয়া হয়। ১৩ মিনিটের মাথায় তার বুকে পাম্প করেন সাদা অ্যাপ্রোন পরা নারী।

হৃদরো’গ ইন্সটিটিউটের খাতায় লেখা রয়েছে ‘ব্রট ডেড’ অর্থাৎ সেখানে নিয়ে আসার আগেই আনিসুলের মৃ’ত্যু হয়েছিল।

আনিসুলের ভাই রেজাউল করিম সংবাদমাধ্যমকে জানান, পারিবারিক ঝামেলার কারণে তার ভাই মা’নসিক স’মস্যায় ভুগছিলেন। সোমবার সকালে তারা তাকে নিয়ে মাইন্ড এইড হাসপাতালে যান।

তিনি জানান, কাউন্টারে ভর্তির ফরম পূরণের সময় হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারী আনিসুলকে দোতলায় নিয়ে যান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here