চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতাল কর্মীদের মারধরে মৃত্যু হলো বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ আনিসুল করিমের।

সোমবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ঢাকার হার্ট ফাউন্ডেশনে তিনি মারা যান।এর আগে মানসিক চিকিৎসার জন্য ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে মাইন্ড এইড হাসপাতালে নেয়া হয়েছিলো।

পরিবারের অভিযোগ, ওই হাসপাতালে ভর্তির পরপর সেখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় তারা পুলিশ কর্মকর্তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হাসপাতালের ব্যবস্থাপকসহ ছয়জনকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে হাসপাতালের ব্যবস্থাপকও রয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়া সিসিটির ভিডিও ফুটেজ আলামত হিসেবে উদ্ধার করেছে পুলিশ। যেখানে দেখাযায়, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি)

আনিসুল করিমকে টেনে-হিঁচড়ে ও ধস্তাধস্তি করে একটি কক্ষে নিয়ে যায় হাসপাতালের ছয় স্টাফ। দ্বিতীয় তলার ওই কক্ষে নেওয়ার পর তাকে

মেঝেতে উপুর করে চেপে ধরা হয়। তাকে সেখানে ধস্তাধস্তির সময় মারধরও করা হয়। ধস্তাধস্তির ঠিক ৪ মিনিটের মাথায় একেবারে নিস্তেজ হয়ে যান পুলিশ কর্মকর্তা।

পরে সোমবার (৯ অক্টোবর) সাড়ে ১১টার দিকে সিনিয়র এএসপি আনিসুল করিমকে হাসপাতালে নেয়া হয়, ১২টার মধ্যে ওই হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এদিকে মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হলে বিকেলে মৃত আনিসুলের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

আনিসুল করিম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩ব্যাচ বায়োকেমিসট্রির ছাত্র ছিলেন এবং ৩১তম বিসিএসে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান।

তিনি স্ত্রীসহ ৩ বছর বয়সের এক ছেলে সন্তানের জনক ছিলেন। তার বাড়ি গাজীপুর সদরের বারুদা এলাকার মুসলিমাবাদ রোডে।

ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে আবারও শান্তি আলোচনার আভাস বাইডেনের

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ট্রাম্প কথিত শান্তি প্রক্রিয়া ফিলিস্তিনিদের মেনে নিতে বাধ্য করতে তাদের সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা বন্ধ করে দিয়েছিল তার প্রশাসন।

এমনকি ফিলিস্তিনিদের চাপে রাখতে সব ধরনের মানবিক ত্রাণ সহায়তাও বন্ধ করে দেয়া হয়।এবার ট্রাম্পের বন্ধ করা ওই সব মানবিক ত্রাণ সহায়তা

জো বাইডেনের সরকার পুনরায় চালু করবে বলে আশ্বাস দেন নবনির্বাচিত মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্যামালা হ্যারিস।

ডেমোক্র্যাটিক দলের এ নেত্রী রোববার দ্য আরব আমেরিকান নিউজকে দেয়া এক ইমেইল সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন,

তার সরকার কোনোভাবেই ট্রাম্পের একপেশে নীতি সমর্থন করবে না। ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে আবারও শান্তি আলোচনা শুরু করবে বাইডেন সরকার।

তিনি বলেন, জো বাইডেন এবং আমি প্রতিটি ফিলিস্তিন এবং ইসরায়েলিদের মূল্য বুঝি। সেই সঙ্গে তাদের ইচ্ছা এবং ভাবনার মূল্য আমাদের কাছে রয়েছে।

আমরা একত্রে প্রতিটি ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলিদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং গণতন্ত্রের জন্য কাজ করব। তিনি আরও বলেন, আমরা দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here