সারাদেশঃ প’রকীয়ার জে’রে খু’নের মা’মলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলী’গের অর্থ সম্পাদক ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের (২০১৪-১৫ সেশন)

শিক্ষার্থী তৌফিক আজিজকে কা’রাগারে পা’ঠিয়েছেন আ’দালত। জানা গেছে, রাজশাহীর তাহের হুদা ইউনিয়নের আল আমিন (৩২) নামের যুব’ককে খু’নের দায়ে

দীর্ঘদিন আত্মগো’পন থাকার পর রোববার (৮ নভেম্বর) আ’দালতের আত্মস’মর্পণ করলে তাকে কা’রাগারে পাঠানো হয়। মা’মলার ত’দন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বি’ষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হরিনাকুন্ডু থানার অফি’সার ই’নচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, চাচাতো ভাই বি’দেশে থাকায় ভা’বির সঙ্গে প’রকীয়ায় জ’ড়িয়ে পড়ে আলামিন নামের ওই যুবক।

এ বি’ষয়ে রাবি শাখা ছাত্র’লী’গের সাধা’রণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, তৌ’ফিককে জড়িয়ে তার গ্রা’মের বাড়িতে খু’নের মা’মলা হয়েছে।

বর্ত’মানে সে কা’রাগারে আছে বলে শুনেছি। তার বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ প্রমা’ণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এএসপি আনিস হত্যা মামলায় ১০ জন রিমান্ডে

আনিসুলের পরিবারও একই অ’ভিযোগ করেছে। তারা জানিয়েছেন, ভর্তির পর পর হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে পি’টিয়ে হ’ত্যা করেছে।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় তারা পুলিশ কর্মকর্তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেছেন মাত্র। পরে তার মৃ’ত্যু হয়।

এদিকে হাসপাতাল থেকে সংগ্রহ করা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুলকে টানাহেঁচড়া করে একটি কক্ষে ঢোকানো হয়।

তাকে হাসপাতালের ছয়জন কর্মচারী মিলে মাটিতে ফে’লে চে’পে ধরেন। এর পর আরও দুজন কর্মচারী তার পা চে’পে ধরেন।

এ সময় মাথার দিকে থাকা দুজন কর্মচারীকে হাতের কনুই দিয়ে তাকে আ’ঘাত করতে দেখা যায়। হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আরিফ মাহমুদ তখন পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

একটি নীল কাপড়ের টুকরা দিয়ে আনিসুলের হাত পেছনে বাঁ’ধা হয়।কিছুক্ষণ পর আনিসুলকে উপুড় করা হয়।

তার শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ায় একজন কর্মচারী তখন তার মুখে পানি ছিটান। পরে কর্মচারীরা কক্ষের মেঝে পানি দিয়ে পরিষ্কার করেন।

সাত মিনিট পর সাদা অ্যাপ্রোন পরা একজন নারী কক্ষে প্রবেশ করেন। ১১ মিনিটের মাথায় কক্ষের দরজা লাগিয়ে দেয়া হয়। ১৩ মিনিটের মাথায় তার বুকে পাম্প করেন সাদা অ্যাপ্রোন পরা নারী।

হৃদরো’গ ইন্সটিটিউটের খাতায় লেখা রয়েছে ‘ব্রট ডেড’ অর্থাৎ সেখানে নিয়ে আসার আগেই আনিসুলের মৃ’ত্যু হয়েছিল।

আনিসুলের ভাই রেজাউল করিম সংবাদমাধ্যমকে জানান, পারিবারিক ঝামেলার কারণে তার ভাই মা’নসিক স’মস্যায় ভুগছিলেন। সোমবার সকালে তারা তাকে নিয়ে মাইন্ড এইড হাসপাতালে যান।

তিনি জানান, কাউন্টারে ভর্তির ফরম পূরণের সময় হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারী আনিসুলকে দোতলায় নিয়ে যান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here