her) থেকে বেশি ভাল এই পৃথিবীতে আর কেউই বাসতে পারে না। মা মা-ই হয়। সন্তানের ভালর জন্য সে করতে পারে না এমন কোনও কাজ নেই।

যেকোনও বিপদের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পারে একজন মা, শুধুমাত্র তাঁর সন্তানকে রক্ষা করার জন্য।সন্তান মায়ের নাড়ি ছেঁড়া ধন। তার প্রাণের থেকে বড় মায়ের

কাছে আর কিছুই নয়, এমনকি নিজের প্রাণও নয়। এই কথা বারে বারে প্রমাণ করেছেন মায়েরা। তবে শাশুড়ি মায়ের (mother in law) ক্ষেত্রেও এই একই

কথা সবসময় প্রযোজ‍্য হয় কি?বিয়ের পর নিজের বাড়ি, বাবা মাকে ছেড়ে একটি মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে পা রাখে এই আশা নিয়ে যে শাশুড়ি মাও তাকে

মেয়ের মতো কোলে তুলে নিতে। ছোট বাচ্চার মতোই তাকে কোলে নিয়ে আদর করছেন তিনি। আদর করে ডাকছেন ‘পেঁচি’, ‘রানি’ বলে।

হঠাৎ দেখলে বোঝা দুষ্কর যে তারা সম্পর্কে আসলে শাশুড়ি বৌমা। বৌমার শরীর স্বাস্থ‍্যের দিকেও রয়েছে শাশুড়ি মায়ের কড়া নজর। মাঝে মাঝে

আবার দিচ্ছেন আদরের বকুনিও। বৌমাও নিজের মায়ের মতোই গলা জড়িয়ে ধরে রয়েছেন শাশুড়ির। আসলে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার কারনেই মন খারাপ হয়েছে তার।

তাই প্রিয় মানুষটার গলা জড়িয়েই ব‍্যক্ত করছে অভিমান।এই ভিডিও এখন তুমুল ভাইরাল সোশ‍্যাল মিডিয়ায়। লাইকের পর লাইক পড়ছে ভিডিওটিতে। ২০২০ তে

এসে শাশুড়ি বৌমার এমন মধুর সম্পর্ক কেউই দেখেননি, এমনটাই বলছেন অনেকেই। বৌমার অভিমান হয়েছে বলে তাকে কোলে নিয়ে মান ভাঙাচ্ছেন শাশুড়ি,

এমনটা দেখাই যায় না বলে বক্তব‍্য নেটজনতার। মেয়েটির ভাগ‍্যও অত‍্যন্ত ভাল যে এমন একজন শাশুড়ি পেয়েছে সে, এমনটাই বলছেন নেটজনতা।

সকালে উপহার বিকালে দুই র‌্যাব সদস্যকে ভারতে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ!

নাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার বি-আমতলী সরস্বতীপুর সীমান্তে অভিযানে যাওয়া দুই র‌্যাব সদস্যকে আটক করে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের জন্য বিএসএফের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ওই সীমান্তের মেইন পিলার ৩০৭,

সাব-পিলার-১-এর কাছ থেকে তাদের আটক করে নিয়ে যায় বিএসএফ। আটককৃতরা হলেন, র‌্যাব-১৩ দিনাজপুর সিপিসি-১-এর সহ-অধিনায়ক (এএসপি)

শ্যামল চং ও কনস্টেবল আবু বকর সিদ্দিক।স্থানীয়রা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বি-আমতলী সরস্বতীপুর সীমান্তের সমজিয়া মণ্ডলপাড়া এলাকায় মাদকের

বিরুদ্ধে মোটরসাইকেলযোগে সিভিল পোশাকে অভিযানে যায় ৫ জন র‌্যাব সদস্য। দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে তারা অভিযানে নামে। এক গ্রুপে তিন জন,

অন্য গ্রুপে দুই জন। অভিযানের একপর্যায়ে তারা ভুল করে ভারতের একটি গ্রামে ঢুকে পড়ে এবং সেখান থেকে ৩ জন র‌্যাব সদস্য ভারতীয়

নাগরিক ইসরাফিলের ছেলে মিলনকে আটক করে।এ সময় মিলন চিৎকার শুরু করে। তখন মোশাররফ মাস্টার ও হিরোসহ কয়েকজন মিলনকে ছিনিয়ে নিয়ে র‌্যাব

সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় সেখানে থাকা ৩ জন র‌্যাব সদস্য এক রাউন্ড গুলি ছুড়ে কৌশলে পালিয়ে আসে। গুলির শব্দ শুনে অপর প্রান্তে থাকা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here