চলতি বছর অক্টোবর মাস থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হলেও শিক্ষার্থীদের কাছে গত জুলাই থেকে সেশন ধরে টিউশন ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর

অধিকাংশ কলেজগুলোর বিরুদ্ধে। এভাবে টিউশন ফি আদায় করায় অনেক শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তিও হতে পারেনি বলে জানা গেছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে,

একাদশের ক্লাস অক্টোবরে শুরু হলেও তাদের সেশন শুরু হয় জুলাই থেকে। সে হিসেব করেই তাদের বেতন পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা বোর্ড

থেকেও একাদশ শ্রেণির সেশন জুলাই থেকেই বলা হয়েছে এবং একজন শিক্ষার্থীকে ২৪ মাসের বেতন পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। সেজন্য তারা এভাবে বেতন নিচ্ছে।

‘অমানবিক’ আচরণ সহ্য করার মতো না।বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক

মু. জিয়াউল হক দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ২৪ মাসের একটা সেশন ধরি। জুলাইয়ের এক তারিখ থেকে এই সেশন শুরু হয়।

সেজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জুলাই মাস থেকে বেতন নিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন না নিলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দিতে পারবে না কলেজগুলো-

জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা শুধু শিক্ষার্থীদের কথাই বলেন। অথচ আমাদের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের কথা বলেন না। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ

থেকে জুলাই-আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন না নিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের বেতন দেবে কীভাবে?খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর নটরডেম কলেজ,

হলিক্রস কলেজ, রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল ও কলেজ, বীর শ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ কলেজ, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ,

মতিঝিল আইডিয়াল কলেজসহ প্রায় সব কলেজেই একাদশে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের গত জুলাই মাস থেকে বেতন নেয়া হয়েছে। আর ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজে

গত আগস্ট মাস থেকে টিউশন ফি আদায় করা হয়েছে।মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের কাছে জুলাই মাস থেকে বেতন

নেয়ার কথা অকপটেই স্বীকার করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম। দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে তিনি বলেন, একাদশ শ্রেণির সেশন শুরু হয় জুলাই মাস থেকে।

তাই জুলাই থেকেই শিক্ষার্থীদের সেশন ধরা হয়েছে। এখানে অন্যায়ের কিছু দেখছি না। শিক্ষা বোর্ড থেকে সেশন শুরুর নির্দেশনা যেভাবে দেয়া আছে, আমরা সেভাবেই বেতন নিচ্ছি।

করোনার মধ্যেও এভাবে টিউশন ফি আদায় করা কতটা যৌক্তিক- এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দিতে হয়। তাদের বেতন আমরা একমাসও বন্ধ রাখিনি।

এছাড়া আমরা টিউশন ফি’র জন্য চাপ প্রয়োগ করিনি। যাদের সমস্যা আছে তাদের কাছ থেকে দরখাস্ত নিয়ে টিউশন ফি পরে দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছিকলেজে ভর্তি হওয়ার

পূর্ব থেকেই টিউশন ফি আদায়ের বিষয়ে জানতে নটরডেম কলেজের অধ্যক্ষ ড. হেমন্ত পিয়ূস রোজারিও ও ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের

অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফউজিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তারা ফোন ধরেননি। এছাড়া সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here