যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কাছের মিত্র বলে পরিচিত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় বসতে যাওয়া জো বাইডেনকে ফোনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বাইডেনের জন্য এই ফোনের গুরুত্ব অনেক কারণ ব্রেক্সিটপন্থী বরিসকে বাইডেনের প্রতিদ্বন্দ্বী ডনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ট বলে বিবেচনা করা হয়।

ট্রাম্প খোলামেলাভাবে ব্রেক্সিটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন।নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে ফোনে কথা বলার তিনটি ছবি পোস্ট করে বরিস নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করে লিখেছেনঃ

আমি এইমাত্র জো বাইডেনের সাথে কথা বললাম তাকে নির্বাচনের জন্য অভিনন্দন জানাতে। আমি আমাদের দুই দেশের মধ্যে অংশীদারিত্ব জোরদার করতে এবং

অনলাইন ডেস্কঃ প্রবাদ আছে ‘অতি লোভে তাঁতি ন’ষ্ট’। ফ্রান্সের অ্যাসাইলাম বা রাজনৈতিক আশ্রয় পেতে দেশে বসে ইসলাম ধর্ম, আল্লাহ্ এবং নবী মোহাম্মদ (সা.)

কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও টুইটারে ধর্মীয় উ’স্কানিমূলক পোস্ট দিচ্ছিলেন ১৯ বছর বয়সী তরুণী ইশরাত জাহান রেইলি।

গত ৩ বছর যাবত এসব কর্মকাণ্ড চা’লিয়ে আসছিলেন তিনি। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে গত ২ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়িও হয় তার।

এরপর ৩ বছর বয়সী ছেলে স’ন্তান নিয়ে মায়ের সঙ্গে রাজধানীর দারুসসালাম এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন রেইলি। কমিউনিটি পুলিশে নিম্ন পর্যায়ে চাকরিও ছিল তার।

সম্প্রতি ফ্রান্সে ধর্মীয় অবমাননার ইস্যুতে যখন পুরো বিশ্ব উত্তাল হয়ে ওঠে, সে সময় রেইলি আরও বে’পরোয়া হয়ে ওঠেন। যদিও গত ৩ বছর যাবত এই

কর্মকাণ্ড চা’লিয়ে আসছিলেন তিনি। র‌্যা’বের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রেইলির ৭টি আইডি ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

তার একটি আইডি নিষ্ক্রিয় করা হলে, আরেকটি আইডি খুলে সে ধর্মীয় অবমাননাকর পোস্ট অব্যাহত রাখে। এভাবেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গো’য়েন্দাদের সঙ্গে

‘চোর-পুলিশ’ খেলছিল এই বে’পরোয়া তরুণী।স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়িখুব অল্প বয়সেই বিয়ে হয় ইশরাত জাহান রেইলির। এইসএসসি শেষ করে বেগম বদরুন্নেসা

স’রকারি মহিলা কলেজে ভর্তি হলেও পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি রেইলি। সাবেক স্বামী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করে একটি বেস’রকারি

প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর আর বিয়ে করেননি রেইলি। তবে একাধিক অ’নৈতিক সম্পর্কে জ’ড়িত ছিলেন বলে অ’ভিযোগ রয়েছে এই তরুণীর বি’রুদ্ধে।

ফেসবুক অনুরোধ রাখলেও উল্টো টুইটারউন্নত বিশ্বে রাজনৈতিক আশ্রয় নেয়ার ক্ষেত্রে ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উ’স্কানিমূলক বক্তব্য

দিয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টার অ’ভিযোগ রয়েছে অনেকের বি’রুদ্ধে। যে পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে উন্নত রাষ্ট্রে আশ্রয় পাওয়ার পথ সুগম হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here