বীরভূমের লোকপুর থানা এলাকায় হঠাত্‍ই হানা দিল এনআইএ গোয়েন্দাদের দল। চলল তল্লাশি। যা নিয়ে জেলা প্রশাসনের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

এক বছর আগে অর্থাত্‍ ২০১৯ সালে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল বীরভূমের লোকপুরে। সেই ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। বুধবার হঠাত্‍ সেখানেই হাজির হন এনআইএ গোয়েন্দারা।

যে বাড়িটিতে বিস্ফোরণ হয়েছিল সেখানে যান জাতীয় তদন্ত সংস্থার আধিকারিকরা। ওই ঘটনায় যাদের নামে এফআইআর হয়েছে তাদের বাড়িতেও যায় এনআইএ দল।

কিন্তু এক বছর পর কেন এই অভিযান?

খাগড়াগড় কাণ্ডের পর থেকে রাজ্যে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশের জঙ্গি গোষ্ঠী জামাত উল মুজাহিদিনের সঙ্গে

জড়িত থাকার অভিযোগেও এনআইএর জালে ধরা পড়েছে অনেকে। কিন্তু আল কায়দা যোগের ঘটনা সামনে আসে মাস দুয়েক আগে।

এএসপি আনিস হত্যা মামলায় ১০ জন রিমান্ডে

আনিসুলের পরিবারও একই অ’ভিযোগ করেছে। তারা জানিয়েছেন, ভর্তির পর পর হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে পি’টিয়ে হ’ত্যা করেছে।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় তারা পুলিশ কর্মকর্তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেছেন মাত্র। পরে তার মৃ’ত্যু হয়।

এদিকে হাসপাতাল থেকে সংগ্রহ করা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুলকে টানাহেঁচড়া করে একটি কক্ষে ঢোকানো হয়।

তাকে হাসপাতালের ছয়জন কর্মচারী মিলে মাটিতে ফে’লে চে’পে ধরেন। এর পর আরও দুজন কর্মচারী তার পা চে’পে ধরেন।

এ সময় মাথার দিকে থাকা দুজন কর্মচারীকে হাতের কনুই দিয়ে তাকে আ’ঘাত করতে দেখা যায়। হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আরিফ মাহমুদ তখন পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

একটি নীল কাপড়ের টুকরা দিয়ে আনিসুলের হাত পেছনে বাঁ’ধা হয়।কিছুক্ষণ পর আনিসুলকে উপুড় করা হয়। তার শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ায় একজন কর্মচারী তখন তার মুখে পানি ছিটান। পরে কর্মচারীরা কক্ষের মেঝে পানি দিয়ে পরিষ্কার করেন।

সাত মিনিট পর সাদা অ্যাপ্রোন পরা একজন নারী কক্ষে প্রবেশ করেন। ১১ মিনিটের মাথায় কক্ষের দরজা লাগিয়ে দেয়া হয়। ১৩ মিনিটের মাথায় তার বুকে পাম্প করেন সাদা অ্যাপ্রোন পরা নারী।

হৃদরো’গ ইন্সটিটিউটের খাতায় লেখা রয়েছে ‘ব্রট ডেড’ অর্থাৎ সেখানে নিয়ে আসার আগেই আনিসুলের মৃ’ত্যু হয়েছিল।

আনিসুলের ভাই রেজাউল করিম সংবাদমাধ্যমকে জানান, পারিবারিক ঝামেলার কারণে তার ভাই মা’নসিক স’মস্যায় ভুগছিলেন। সোমবার সকালে তারা তাকে নিয়ে মাইন্ড এইড হাসপাতালে যান।

তিনি জানান, কাউন্টারে ভর্তির ফরম পূরণের সময় হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারী আনিসুলকে দোতলায় নিয়ে যান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here