এবার দল এবং এমপিদের মতামত ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর সকল মেগা প্রকল্প মন্ত্রী গ্রামের বাড়িতে হচ্ছে মূলত সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় টি পরিকল্পনামন্ত্রী

শান্তিগঞ্জ স্থাপিত হবে বলে জানা গিয়েছে তবে এমন পরিবর্তন এর ক্ষেত্রে আহত হয়েছে সুনামগঞ্জের বাসিন্দারা এই বিশ্ববিদ্যালয়টি জেলা সদরে স্থাপনের ক্ষেত্রে

প্রধানমন্ত্রী কে তাকিয়ে ছিলেন সুনামগঞ্জের বাসিন্দারা। তবে পরিকল্পনামন্ত্রীর ইচ্ছায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শান্তিগঞ্জ জেলায় স্থাপন করা হয়েছে

সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিকল্পনামন্ত্রীর বাড়ি শান্তিগঞ্জে স্থাপিত হবে, বিশ্ববিদ্যালয় আইনে এমন পরিবর্তন আনায় আশাহত সুনামগঞ্জবাসী।

জেলাবাসীর মতামত না নিয়ে কেবল ’পরিকল্পনামন্ত্রীর ইচ্ছায়’ প্রধানমন্ত্রীর উপহার এই বিশ্ববিদ্যালয়টি শান্তিগঞ্জ এলাকায় স্থাপনের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে।

চলতি অধিবেশনে আইন আকারে পাসের জন্য যে কোনো দিন সংসদে উত্থাপন করা হবে।বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিকল্পনামন্ত্রীর এলাকায় স্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার সহযোগিতা করতে পারবেন না বলে

জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ মতিউর রহমান ও সিনিয়র সহসভাপতি নূরুল হুদা মুকুট।

এদিকে, জেলা সদরে স্থাপনের জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব দিয়ে রেখেছেন সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ।

তাঁর প্রস্তাবটি গৃহীত না হলে জনমতকে উপেক্ষা করে শান্তিগঞ্জেই স্থাপন হবে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এখানে প্রধানমন্ত্রীই শেষ ভরসা। প্রসঙ্গত, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ,

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিআরটিএ অফিস কাম ট্রেনিং সেন্টার,

যুব মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মতো প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সব মেগা প্রকল্প পরিকল্পনামন্ত্রীর এলাকা শান্তিগঞ্জের দুই কিলোমিটার এলাকায় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর নেতিবাচক প্রভাব আওয়ামী লীগের আগামী দিনের ভোটের রাজনীতিতে পড়বে বলে মনে করেছেন দলের কর্মীরা। তাই তাঁরাও স্বতঃস্ফূর্ত মানববন্ধন আন্দোলন করছেন। জানা যায়,

জেলা সদরকে বাদ দিয়ে এতগুলো মেগা প্রকল্প পরিকল্পনামন্ত্রীর এলাকা শান্তিগঞ্জে নিয়ে যাওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় ফোরামে কোনো মতামত নেওয়া হয়নি।

এ ব্যাপারে জেলার ছয়জন সংসদ সদস্যের সঙ্গেও আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। পরিকল্পনামন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে সব প্রতিষ্ঠানই শান্তিগঞ্জে স্থাপন করা হচ্ছে।

বলাবলি হচ্ছে পরিকল্পনামন্ত্রী নাকি তাঁর গ্রামের বাড়ি শান্তিগঞ্জকেই সুনামগঞ্জের জেলা সদর করতে চান। তাই সব প্রকল্প তার এলাকায়।

মেডিকেল নামে জেলা সদরে হলেও প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে তার বাড়ির দুই কিলোমিটারের মধ্যে। বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণ নিয়ে রবিবার রাতে জেলা

আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে তাঁর বাসায় বৈঠক ডাকেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় আইনে সংশোধন এনে জেলার পরিবর্তে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here