জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করে তা অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত

মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মামুনুল হক।শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীর বিএমএ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ খেলাফত যুব

মজলিস ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে শানে রিসালাত কনফারেন্সে তিনি এ দাবি জানান।মামুনুল হক বলেন, ‘ধোলাইখালে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি স্থাপন বঙ্গবন্ধুর আত্মার সঙ্গে

গাদ্দারি করার শামিল। যারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন করে তারা বঙ্গবন্ধুর সু-সন্তান হতে পারে না। এর মাধ্যমে মসজিদের শহরকে

সভাপতি মুফতী সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব

মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা কুরবান আলী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামেল যুগ্ম

মহাসচিব মাওলানা ওয়ালি উল্লাহ আরমান, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি পরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী প্রমুখ।

strong>ধর্ষণ নিয়ে যা বললেন মিজানুর রহমান আজহারী

ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে জেগে উঠেছে বাংলাদেশ। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ সোচ্চার হয়েছেন ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে। সিনেমা নাটকের তারকারা যেমন

সচেতন হয়েছেন তেমনি সচেতন হয়েছেন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিত্বকারীরাও। জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী সম্প্রতি সামাজিক

যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ধর্ষণবিরোধী একটি স্ট্যাটাস লিখেছেন। এই স্ট্যাটাসটি ১১ সেপ্টেম্বর তিনি তার পেজ থেকে শেয়ার করেন। স্ট্যাটাসটিতে ১ লাখ ৮৪ হাজার

রিঅ্যাকশন এবং ১৩ হাজার কমেন্ট রয়েছে। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে ১৯ হাজার বার। সময় নিউজের পাঠকদের জন্য আলোচিত এই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো।

ধর্ষণ বিস্তারে দিশেহারা জাতি: সমাধান কী?বাংলাদেশে প্রায় প্রতিদিন কোথাও না কোথাও ধর্ষণ হচ্ছে। নারীকে বিবস্ত্র করা হচ্ছে। এই দৃশ্য ধারণ করে

অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। এই বর্বরতা সহ্যক্ষমতার বাইরে। কী একটা অসুস্থ প্রজন্ম গড়ে উঠেছে এ দেশে! আমাদের পরিবারগুলোতে এভাবে ধর্ষক গড়ে

উঠল আর আমরা কেউ টেরই পেলাম না। ভাবতেই গা শিউরে উঠছে। সাধারণ জনগণ না পারছে কইতে, না পারছে সইতে। বিচার চেয়ে মানববন্ধন করতে গেলে

সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধা। এভাবে বিচার চাইতে চাইতে ক্লান্ত জনগণ যখন বিচার করার দায়িত্ব নিজ হাতে তুলে নেবে তখন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ

আকার ধারণ করতে পারে। তাই ধর্ষণের নজিরবিহীন শাস্তি নিশ্চিত হোক— এটাই আজ গণমানুষের দাবি।ধর্ষণ হচ্ছে একটি সেক্সুয়াল ক্রাইম বা সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স।

আদতে ধর্ষণ কোনো যৌনতা নয়, এটা পুরুষের ক্ষমতার অপব্যবহার। আর ক্ষমতার ছায়াতলেই মূলত বেড়ে ওঠে ধর্ষকরা। সাধারণত, মানুষ যেটা দেখে

দেখে শিখে সেটা সে নিজে ট্রাই করে দেখতে চায়। সিনেমাতে পরিবারের সবাই মিলে ধর্ষণের দৃশ্য উপভোগ করা সমাজে এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার তো কথা ছিল না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here