পানি তুলতে গিয়ে কুয়ায় পড়ে গিয়েছিলেন ৭০ বছরের এক বৃ’দ্ধা। আশপাশের মানুষ বি’ষয়টি টের পেলেও বৃ’দ্ধাকে উ’দ্ধার করতে পারেননি।

পরে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ। এসময় এক মুহূর্ত সময়ও ন’ষ্ট না করে ওই বৃ’দ্ধাকে বাঁ’চাতে কুয়ার

মধ্যে ঝাঁ’পিয়ে পড়েন এক পু’লিশ কনস্টেবল। ‌ঘটনাটি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ার গুডুর গ্রামের। খবর আজকালের।

জানা গেছে, নিজের বাড়িতে কুয়া থেকে পানি তুলতে গিয়েছিলেন বৃ’দ্ধা সাবিত্রী। কিন্তু পানির পাত্রের ওজন সামলাতে না পেরে কুয়ায় পড়ে যান তিনি।

এসময় এক মুহূর্তও না ভেবে কুয়ার পানিতে ঝাঁপ দেন এ শিবকুমার। চারপাশ তখন অন্ধকার। কুয়াটিও অনেক গভীর। আশপাশে কোনও মই বা দড়িও ছিল না।

কিন্তু এসব কিছুই ভাবেননি শিবকুমার।পুলিশ জানায়, শিবকুমার কুয়ায় ঝাঁ’পিয়ে পড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই দড়ি জোগার করে আনেন সহকর্মী শ্যাম।

এরপর গ্রামবাসীর সহায়তায় দু’‌জনকে টেনে ও’পরে তোলা হয়।শিবকুমার বলেন, ‘‌তখন কিছুই ভাবিনি। শুধু ভেবেছি, ওই বৃ’দ্ধাকে বাঁচাতে হবে। তাই ঝাঁপ দিয়েছি।’‌

তিনি জানান, বৃ’দ্ধাকে উ’দ্ধারের পর স্থানীয়রা হাসপাতালে খবর দেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসতে রাজি হননি। এরপর শিবকুমারই এক চিকিৎসককে ডেকে আনেন বৃ’দ্ধার চিকিৎসার জন্য।

strong>ধর্ষণ নিয়ে যা বললেন মিজানুর রহমান আজহারী

ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে জেগে উঠেছে বাংলাদেশ। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ সোচ্চার হয়েছেন ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে। সিনেমা নাটকের তারকারা যেমন

সচেতন হয়েছেন তেমনি সচেতন হয়েছেন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিত্বকারীরাও। জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী সম্প্রতি সামাজিক

যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ধর্ষণবিরোধী একটি স্ট্যাটাস লিখেছেন। এই স্ট্যাটাসটি ১১ সেপ্টেম্বর তিনি তার পেজ থেকে শেয়ার করেন। স্ট্যাটাসটিতে ১ লাখ ৮৪ হাজার

রিঅ্যাকশন এবং ১৩ হাজার কমেন্ট রয়েছে। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে ১৯ হাজার বার। সময় নিউজের পাঠকদের জন্য আলোচিত এই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো।

ধর্ষণ বিস্তারে দিশেহারা জাতি: সমাধান কী?বাংলাদেশে প্রায় প্রতিদিন কোথাও না কোথাও ধর্ষণ হচ্ছে। নারীকে বিবস্ত্র করা হচ্ছে। এই দৃশ্য ধারণ করে

অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। এই বর্বরতা সহ্যক্ষমতার বাইরে। কী একটা অসুস্থ প্রজন্ম গড়ে উঠেছে এ দেশে! আমাদের পরিবারগুলোতে এভাবে ধর্ষক গড়ে

উঠল আর আমরা কেউ টেরই পেলাম না। ভাবতেই গা শিউরে উঠছে। সাধারণ জনগণ না পারছে কইতে, না পারছে সইতে। বিচার চেয়ে মানববন্ধন করতে গেলে

সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধা। এভাবে বিচার চাইতে চাইতে ক্লান্ত জনগণ যখন বিচার করার দায়িত্ব নিজ হাতে তুলে নেবে তখন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ

আকার ধারণ করতে পারে। তাই ধর্ষণের নজিরবিহীন শাস্তি নিশ্চিত হোক— এটাই আজ গণমানুষের দাবি।ধর্ষণ হচ্ছে একটি সেক্সুয়াল ক্রাইম বা সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স।

আদতে ধর্ষণ কোনো যৌনতা নয়, এটা পুরুষের ক্ষমতার অপব্যবহার। আর ক্ষমতার ছায়াতলেই মূলত বেড়ে ওঠে ধর্ষকরা। সাধারণত, মানুষ যেটা দেখে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here