সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার এক হতদরিদ্র দিনমজুর কৃষি শ্রমিকের স্ত্রীকে বারবার ধর্ষণচেষ্টা ও নির্যাতনের বিচার না পেয়ে সুনামগঞ্জ শহীদ মিনারে শিশু সন্তান নিয়ে মানববন্ধন করেছেন এক অসহায় স্বামী।

এ সময় ওই দিনমজুর, তার বৃদ্ধা মা ও দুই শিশুকে নিয়ে হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের বুকফাটা কান্নায় শহীদ মিনারে উপস্থিত সাংবাদিকরাও অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন।

শনিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে নারী নির্যাতনকারী বখাটের বিচার দাবি করে অসহায় পরিবারটি।

পারিবারিক এ মানববন্ধন চলাকালে নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূর স্বামী জানান, উপজেলার আনন্দপুর গ্রামের মধু দাসের ছেলে প্রজেশ দাস তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল।

জেগে হৈ চৈ শুরু করায় প্রজেশ দাস পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় রোববার (২২ নভেম্বর) আবারও থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।

দিনমজুর স্বামী আরও জানান, সবশেষ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে আসেন শাল্লা থানা পুলিশের এসআই সেলিম মিয়া।

শাল্লা থানার ওসি নাজমুল হক জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কোনো সত্যতা না পাওয়ায় মামলা নেওয়া হয়নি। তবে বাদীর আবেদনের

পরিপ্রেক্ষিতে আরেকজন অফিসারকে দিয়ে তদন্ত করিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলাম। এর আগেই তিনি সুনামগঞ্জে গিয়ে মানববন্ধন করেছেন।

মসজিদে প্রেমিকার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক ইমাম

বাঞ্ছারামপুরে মসজিদের কক্ষে তরুণীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় জনতার হাতে আটক হয়েছেন স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম। শনিবার উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের আশরাফবাদ গাউসুল আজম জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ইমামের নাম মোহাম্মদ আলী। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পুরান কদমতলী গ্রামের মো. ফয়জুর রহমানের ছেলে।

এ ঘটনার পর পুলিশ মুচলেকা নিয়ে তার বড়ভাই আউয়ালের জিম্মায় ছেড়ে দেয় ইমামকে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হোসেনপুর গ্রামের একজন মারা যাওয়ার পর

মাইকে ঘোষণা দিতে এলাকাবাসী মসজিদে গিয়ে ইমামকে খোঁজ করতে থাকেন। পরে তাকে না পেয়ে মসজিদ ঘেঁষা ইমামের থাকার কক্ষের জানালার ফাঁক দিয়ে ইমাম মোহাম্মদ আলীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান তারা।

পরে ইমামের কক্ষে এলাকাবাসী এসে ধাক্কাধাক্কি করলে পরিস্থিতি খারাপ দেখে পেছনের দরজা দিয়ে মেয়েটিকে বের করে দেন তিনি। পরে এ ঘটনায় এলাকার লোকজনক জড়ো হয়ে উত্তেজিত হয়ে ওঠে।

ইমামের কক্ষে আসা মেয়েটি একই উপজেলার আসাদনগর গ্রামের বাসিন্দা। তারা দু’জনই অবিবাহিত। খবর পেয়ে বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এসময় পুলিশ ইমামের ফেসবুক ইনবক্সে গিয়ে মেয়ের সাথে অনেক আপত্তিকর কথাবার্তার তথ্য পায়। এ সময় কয়েকশ মানুষ মসজিদের সামনে ভিড় জমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here