আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেছেন, ‘এক সময় জিয়া-মোশতাক ষড়যন্ত্র করেছিল। সেই ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই।

বর্তমানে বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান কিছু যুদ্ধাপরাধী, রাজাকারের ছেলে এবং নামধারী মোল্লাদের মাঠে নামিয়েছে। তারা মনগড়া ফতোয়া

দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনে বাধা দিচ্ছে। গতকাল বালিজুড়ী এফএম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধক হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সৌদি আরব, পাকিস্তানসহ সব মুসলিম দেশেই ভাস্কর্য আছে। অথচ সেই ভাস্কর্যের বিরুদ্ধেই বিশেষ উদ্দেশ্যে মাঠ গরম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে তাঁর প্রয়াত পিতা শেখ ফজলুল হক

মণি যুবলীগের হাল ধরেছিলেন। তাঁর হাতে গড়া সংগঠনের হাল ধরেন নানক ও মির্জা আজম। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে সারা দেশে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে যুবলীগ।

এই যুবলীগকে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল

, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ, সহসভাপতি আশরাফ হোসেন তরফদার, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী,

সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুুল্লাহ আল আমিন চান, জেলা যুবলীগ সভাপতি রাজন সাহা রাজু, সাধারণ সম্পাদক ফারহান আহমেদ প্রমুখ।

দ্বিতীয় অধিবেশনে সাবেক মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলামকে সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

বশেফমুবিপ্রবি দিবস উদযাপন : গতকাল জামালপুরের মেলান্দহে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেফমুবিপ্রবি)

দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিন্ডিকেট সদস্য মির্জা আজম বলেন, দেশের প্রতিটি জেলায় বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে

কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই লক্ষ্যে বিভিন্ন জেলায় পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গমাতার নামে জামালপুরে একটি পাবলিক ও একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিয়েছেন এবং এর শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বশেফমুবিপ্রবির

উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়েরউপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ড. আবুল হোসেন প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here