গুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

শনিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে চট্টগ্রামে কর্মরত উপ-পুলিশ কমিশনার হামিদুল আলমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তারা জানান, জলেশ্বরীতলা এলাকার জজকোর্ট ক্রসলেনে সম্প্রতি ১২তলা একটি ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন পুলিশ কর্মকর্তা হামিদুল আলম।

নির্মাণের আগে স্থানীয় বাসিন্দারা পৌরসভার বিল্ডিং কোড মেনে রাস্তার জায়গা ছেড়ে ভবন নির্মাণের অনুরোধ করেন তাকে।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌরসভা থেকে নকশা অনুমোদন না করেই ভবনটি নির্মাণ করছেন পুলিশ কর্মকর্তা হামিদুল আলম।

বিধিমাফিক রাস্তা ছেড়ে ভবন নির্মাণের অনুরোধ করলেও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি কাউকে তোয়াক্কা করছেন না বলেও অভিযোগ তাদের।

বউকে ‘আপন বোন’ বানিয়ে চাকরি নেয়ার ঘটনায় দুই শিক্ষক বরখাস্ত

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সন্তান হিসেবে চাকরি নেয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে শিক্ষা অধিদফতর।

বরখাস্ত হওয়া দুইজন হলেন- টুপকার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার ও খেয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাপলা আক্তার।

২৭ অক্টোবর তাদের বরখাস্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, নাসরিন আক্তার রবিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা ও মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলমের স্ত্রী। আর আশরাফুলের খালাতো বোন শাপলা।

আশরাফুল বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের ছেলে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি স্ত্রী নাসরিন

ও খালাতো বোন শাপলাকে সহিদুর রহমানের নিজের সন্তান হিসেবে দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়ে দেন।

এ বিষয়ে নিয়ে ‘বউকে আপন বোন বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি’ শিরোনামে চলতি বছরের ২৯ আগস্ট ডেইলি বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সে সময় শাপলা আক্তার বলেছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার চাকরি হয়েছে কি না, তিনি জানেন না। আশরাফুল

তার চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকাও নিয়েছেন। আশরাফুল ও নাসরিন ভাই-বোন নন, স্বামী-স্ত্রী।

সংবাদটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নজরে আসে। এরপর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়কে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

১ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here