ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গরু চু’রি করে প্রাইভেটকারে উঠিয়ে পা’লানোর সময় চো’র চ’ক্রের এক স’দস্যকে আট’ক করা হয়েছে। এসময় প্রাইভেটকারে থাকা চো’র চ’ক্রের তিন স’দস্য পা’লিয়ে যায়।

আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কুট্রাপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নন্দনপুর বিসিক শিল্প নগরীর

পাশের একটি ব্রিক ফিল্ড এলাকা থেকে চো’র চ’ক্রের চার স’দস্য গ’রুটিকে চু’রি করে অভিনব কা’য়দায় প্রাইভেটকারের ভেতরে ঢুকিয়ে নিয়ে পালাচ্ছিল।

আটককৃত ব্য’ক্তির নাম ফারুক মিয়া (৪০)। তিনি হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার ইসমাইল মিয়ার ছে’লে বলে জানিয়েছেন।

পরে বিষয়টি আশপাশের লো’কজনের স’ন্দেহ হলে কুট্টাপাড়া মোড়ে প্রাইভেটকারটি আ’টক করে হাইওয়ে থানা পুলিশে খবর দেয়। পরে হাইওয়ে পুলিশ এসে প্রাইভেটকারসহ গরুটি আ’টক করে।

পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগে চো’র চ’ক্রের অপর তিন স’দস্য কৌ’শলে পা’লিয়ে যায়। পরে প্রাইভেটকারসহ চো’রদলের স’দস্য ফারুককে আ’টক করে পুলিশ।

বউকে ‘আপন বোন’ বানিয়ে চাকরি নেয়ার ঘটনায় দুই শিক্ষক বরখাস্ত

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সন্তান হিসেবে চাকরি নেয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে শিক্ষা অধিদফতর।

বরখাস্ত হওয়া দুইজন হলেন- টুপকার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার ও খেয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাপলা আক্তার।

২৭ অক্টোবর তাদের বরখাস্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, নাসরিন আক্তার রবিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা ও মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলমের স্ত্রী। আর আশরাফুলের খালাতো বোন শাপলা।

আশরাফুল বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের ছেলে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি স্ত্রী নাসরিন

ও খালাতো বোন শাপলাকে সহিদুর রহমানের নিজের সন্তান হিসেবে দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়ে দেন।

এ বিষয়ে নিয়ে ‘বউকে আপন বোন বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি’ শিরোনামে চলতি বছরের ২৯ আগস্ট ডেইলি বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সে সময় শাপলা আক্তার বলেছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার চাকরি হয়েছে কি না, তিনি জানেন না। আশরাফুল

তার চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকাও নিয়েছেন। আশরাফুল ও নাসরিন ভাই-বোন নন, স্বামী-স্ত্রী।

সংবাদটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নজরে আসে। এরপর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়কে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

১ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here