মা’র্কিন গবেষণা সংস্থা নাসার গবেষণায় বড় সাফল্য মিলল। সম্প্রতি নাসার মহাকাশ বিজ্ঞানীরা চাঁদে জলের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, চন্দ্রপৃষ্ঠে খাদ এবং গর্তগু’লিতে প্রচুর পরিমাণে জল উপস্থিত আছে।তবে সেই জল পানের অযোগ্য এবং জলের মতো তরল আকার নেই

বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে নাসার এই নতুন আবি’ষ্কার চাঁদে প্রাণের উপস্থিতি সম্পর্কে গবেষণার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করে দিল বলেই আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।

সম্প্রতি নাসার স্ট্যাটোস্ফেরিক অবজারভেটরি ফর ইনফ্রারে’ড অ্যাস্ট্রোনমি তথা সোফিয়ার তরফ থেকে চন্দ্রপৃষ্ঠে এবং গর্তগু’লিতে জলের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত করা হয়েছে।

চাঁদে জলের উপস্থিতি সম্পর্কে এখনই নিশ্চিত ভাবে কোনো ধারণা দিতে পারছেন না বিজ্ঞানীরা। সোফিয়ার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ক্লেভিয়াস ক্লেটারের মাধ্যমে চন্দ্রপৃষ্ঠে জলের উপস্থিতির খোঁজ মিলেছে।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, চাঁদের যে সব জায়গাতে জলের উপস্থিতি মিলেছে সেই সব জায়গার তাপমাত্রা হিমা’ঙ্কের ২৬১ ডিগ্রী ফারেনহাইটের থেকে কম।

হিমশীতল আবহাওয়ার জন্য চন্দ্রপৃষ্ঠে উপস্থিত জল বরফের আকারে রয়েছে বলেই মনে করছেন তারা। নাসার গবেষকদের

এই আবি’ষ্কার স্বভাবতই চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রাণের উপস্থিতি সম্পর্কে গবেষণা করতে বিজ্ঞানীদের সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বউকে ‘আপন বোন’ বানিয়ে চাকরি নেয়ার ঘটনায় দুই শিক্ষক বরখাস্ত

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সন্তান হিসেবে চাকরি নেয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে শিক্ষা অধিদফতর।

বরখাস্ত হওয়া দুইজন হলেন- টুপকার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার ও খেয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাপলা আক্তার।

২৭ অক্টোবর তাদের বরখাস্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, নাসরিন আক্তার রবিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা ও মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলমের স্ত্রী। আর আশরাফুলের খালাতো বোন শাপলা।

আশরাফুল বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের ছেলে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি স্ত্রী নাসরিন

ও খালাতো বোন শাপলাকে সহিদুর রহমানের নিজের সন্তান হিসেবে দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়ে দেন।

এ বিষয়ে নিয়ে ‘বউকে আপন বোন বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি’ শিরোনামে চলতি বছরের ২৯ আগস্ট ডেইলি বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সে সময় শাপলা আক্তার বলেছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার চাকরি হয়েছে কি না, তিনি জানেন না। আশরাফুল

তার চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকাও নিয়েছেন। আশরাফুল ও নাসরিন ভাই-বোন নন, স্বামী-স্ত্রী।

সংবাদটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নজরে আসে। এরপর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়কে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here