জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ৮৫ বছরের বৃ’দ্ধ মহির উদ্দিনের সঙ্গে বিয়ে দেয়া সেই মেয়ের বয়স ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে।

আর উভয়পক্ষের সম্মতিতে সামাজিকভাবে এ বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। উচ্চ আদালতে জামালপুর পু’লিশ সুপারের দাখিল করা ত’দন্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এছাড়া বৃদ্ধের নাতির সঙ্গে ওই মেয়ের সম্পর্ক ছিল এমন কোনো স’ত্যতা পায়নি বলে ত’দন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বুধবার বি’চারপতি এফ আর এম নাজমুল

আহাসান এবং বি’চারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের ভার্চুয়াল হাইকো’র্ট বেঞ্চে এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লা’হ আ’ল মাহমুদ বাশার।

৮৫ বছরের বৃ’দ্ধ মো. মহির উদ্দিন এবং মেয়েটি সম্পর্কে দাদা-নাতিন। তাদের দুজনের ঘর পাশাপাশি। তাদের মধ্যে সম্মতিক্রমে শা’রীরিক সম্পর্ক হয়।

এ সুবাধে মেয়েটি গর্ভবতী হয় এবং সামাজিকভাবে উভয়পক্ষের সম্মতিক্রমে বিয়ে সম্পন্ন হয়। মহির উদ্দিনের নাতি শাহিনের সঙ্গে ওই মেয়ের সম্পর্কে বিষয়ে স’ত্যতা পাওয়া যায়নি।

এ সময় আ’দালত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, প্রতিবেদন দেখে মনে হচ্ছে উভয়পক্ষের সম্মতিতে বিয়ে হয়েছে।

মেয়েও অ্যাডাল্ট (প্রাপ্তবয়স্ক)। এখন প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্রে ছাপানোর ব্যবস্থা নেন।জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে নাতির ধ*ণের দা’য়ে ৮৫ বছরের বৃ’দ্ধ দাদার স’ঙ্গে ধণের শিকার

১১ বছরের কিশোরীর বিয়ে দেয়া হয়েছে মর্মে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নজরে আনার পর

গত ২৪ নভেম্বর হাইকো’র্ট ত’দন্তের নি’র্দেশ দেন। সে অনুসারে ত’দন্ত প্রতিবেদন আ’দালতে উপস্থাপন করা হয়।

বউকে ‘আপন বোন’ বানিয়ে চাকরি নেয়ার ঘটনায় দুই শিক্ষক বরখাস্ত

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সন্তান হিসেবে চাকরি নেয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে শিক্ষা অধিদফতর।

বরখাস্ত হওয়া দুইজন হলেন- টুপকার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার ও খেয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাপলা আক্তার।

২৭ অক্টোবর তাদের বরখাস্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, নাসরিন আক্তার রবিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা ও মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলমের স্ত্রী। আর আশরাফুলের খালাতো বোন শাপলা।

আশরাফুল বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের ছেলে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি স্ত্রী নাসরিন

ও খালাতো বোন শাপলাকে সহিদুর রহমানের নিজের সন্তান হিসেবে দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়ে দেন।

এ বিষয়ে নিয়ে ‘বউকে আপন বোন বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি’ শিরোনামে চলতি বছরের ২৯ আগস্ট ডেইলি বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সে সময় শাপলা আক্তার বলেছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার চাকরি হয়েছে কি না, তিনি জানেন না। আশরাফুল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here