ডিম পুষ্টি উপাদানে ভরপুর একটি প্রাকৃতিক খাদ্য। একে প্রোটিন এবং পুষ্টি উপাদানের পাওয়ার হাউসও বলা হয়ে থাকে।

এই ডিমের খোসা আমরা সকলেই ফেলে দেই। কিন্তু এই ডিমের খোসার মধ্যে যেসব গুণ লুকিয়ে আছে, তা শুনলে আপনি অবাক হবেন।

ডিমের খোসা খুবই কার্যকরী জিনিস। রূপচর্চা থেকে গৃহস্থলীর নানা কাজে ডিমের খোসা ব্যবহার করা যায়। আসুন জেনে নিই সেগুলো :

# কফির স্বাদে তেঁতো ভাব কাটাতে চাইলে, ডিমের খোসা গুঁড়ো করে মিশিয়ে নিন।

# বাগানে গাছে পোকার উপদ্রব বাড়লে, গাছের গোঁড়ায় ডিমের খোসা গুঁড়ো করে ছড়িয়ে দিন। পোকা ধারে কাছে আসবে না। মনে রাখবেন, ডিমের খোসায় থাকে ক্যালসিয়াম, যা আপনার গাছের স্বাস্থ্যও ভালো করবে।

# বাসন মাজার কাজে ডিমের খোসা ব্যবহার করুন। বাসনের তেল ও পোড়া দাগ সহজে উঠে যাবে।

বউকে ‘আপন বোন’ বানিয়ে চাকরি নেয়ার ঘটনায় দুই শিক্ষক বরখাস্ত

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সন্তান হিসেবে চাকরি নেয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে শিক্ষা অধিদফতর।

বরখাস্ত হওয়া দুইজন হলেন- টুপকার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার ও খেয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাপলা আক্তার।

২৭ অক্টোবর তাদের বরখাস্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, নাসরিন আক্তার রবিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা ও মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলমের স্ত্রী। আর আশরাফুলের খালাতো বোন শাপলা।

আশরাফুল বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের ছেলে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি স্ত্রী নাসরিন

ও খালাতো বোন শাপলাকে সহিদুর রহমানের নিজের সন্তান হিসেবে দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়ে দেন।

এ বিষয়ে নিয়ে ‘বউকে আপন বোন বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি’ শিরোনামে চলতি বছরের ২৯ আগস্ট ডেইলি বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সে সময় শাপলা আক্তার বলেছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার চাকরি হয়েছে কি না, তিনি জানেন না। আশরাফুল

তার চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকাও নিয়েছেন। আশরাফুল ও নাসরিন ভাই-বোন নন, স্বামী-স্ত্রী।

সংবাদটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নজরে আসে। এরপর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়কে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

১ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

এর ভিত্তিতে ২৭ অক্টোবর নাসরিন ও শাপলাকে বরখাস্ত করে শিক্ষা অধিদফতর। বিভাগীয় অভিযোগ আনা হয় আশরাফুলের বিরুদ্ধেও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here