প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো, এ কোনও অ’বৈধ সম্পর্ক নয়। ছেলে, পরিবারের সম্মতিতেই পছন্দের মানুষের সঙ্গে বিয়ে।

জীবনের গতিপথ যে সবসময় একই ছন্দে চলে এমনটা একেবারেই নয়। কে জানে জীবনের আগের বাঁকেই হয়ত অপেক্ষা করছে আপনার বেঁচে থাকার রসদ।

সেই রসদের খোঁজে পাল পরিবার। ছেলে নিজের জীবনে খুশি। তরতাজা ব্রাইট প্রসপেক্ট তার। কিন্তু বাবার? তিনি তো জীবনসঙ্গী হা’রিয়েছেন আজ দশটা বছর হয়ে গিয়েছে।

একলা থাকা’টা তাঁর অভ্যাস হয়ে উঠেছে। কিন্তু কেন সে থাকবে একলা? যে চলে গিয়েছেন, সে ফিরবে না। তাহলে কোন অ’পরাধের মাশুল গুনবে বাবা?

১০ বছর আগে প্রথম ভালোবাসার মানুষকে হা’রিয়েছেন তরুণ কান্তি পাল। দুই পরিবারের সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে পূর্ব পরিচিত।

ভট্টনগরের গ্রামে থাকত তাঁরা। কিন্তু নবদম্পতির আগে কখনও সাক্ষাৎ হয়নি। ছেলে সায়ন পাল ছবি শেয়ার করার পাশাপাশি টুইট করে জানিয়েছেন, আমি খুব খুশি যে বাবা তাঁর ভালোবাসা খুঁজে পেয়েছেন।

কী ভাবে হল এই প্রেম ভালবাসা? ছেলে জানিয়েছে, বয়স হয়েছে, বছর দুয়েক আগে অবসর নিয়েছেন বাবা। এরপর ভট্টনগরের রামকৃষ্ণ মঠে রোজ নিয়ম করে যেতেন।

সারদা মায়ের জন্ম তিথিতে দু-বছর আগে স্বপ্না রায়ের সঙ্গে দেখা হয় বাবার। এরপর, মাঝে মাঝে দেখা হত।

তারপর ফোন নম্বর এক্সচেঞ্জ, তারপর কথা বলা শুরু। এরপর সম্পর্ক গাঢ় হয়। স্বপ্না রায় ভালোবাসার কথা জানায় তরুণ কান্তিকে।

সেই ভালোবাসায় সহমত হয় তরুণবাবু। এরপর তারা একসঙ্গে থাকতে সময় কা’টাতে চায়। এরপর ছেলের মত নেয় তাঁরা। ছেলে সায়ন থাকেন কানাডাতে।

বাবা এখানে একলা। তাই বাবার বিয়ে দিয়ে খুশি ছেলে। তরুণ কান্তি পাল, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস.কম কে জানিয়েছেন, “জীবন একটি দীর্ঘ যাত্রা।

সেই যাত্রায় কাউকে সঙ্গে নিতে লাগে। দুর্ভাগ্যক্রমে যদি সঙ্গী চলে যায় ছেড়ে। তবে তাদের অসমাপ্ত যাত্রায় অন্য কাউকে অংশীদার হিসাবে বেছে নিতে হয়।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here