১ ডিসেম্বর বিয়ে। বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনে ভরপুর। বিয়ের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন। কিন্তু পরিবারের মান-সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে বিয়ের আগের রাতে লাপাত্তা মেয়ে।ঘটনা উত্তরপ্রদেশের মউয়ে।

ওই যুবতীকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ উঠেছে এক মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। যুবতীর বাবা ওই যুবকের বিরুদ্ধে লাভ জিহাদের অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এমনিতেই উত্তরপ্রদেশের প্রশাসন লাভ জিহাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বিগ্ন। এর মধ্যে এমন ঘটনা যোগীর প্রশাসনকে আরও চিন্তায় ফেলেছে।

তিনি জানান, শবাব নামের একজন ট্যাক্সি ড্রাইভারের সঙ্গে তার মেয়ের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সেই ট্যাক্সি ড্রাইভার মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে রাহুল নামে

রাহুল নামে যে ছেলেটি প্রেমের ফাঁদ পেতেছিল তার আসল নাম শবাব। মৌলানাগঞ্জে সেই যুবকের বাড়ি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে যোগীর প্রশাসন।

আরও পড়ুন=দেশের উত্তরের অনেক জেলায় জেঁকে বসেছে শীত। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশাচ্ছন্ন থাকায় ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।

তবে রাতে তীব্র শীত আর দিনে গরম থাকায় বাড়ছে রোগ বালাই। শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়।

তবে রাজধানীতে এখনো সেই আঁচ পাওয়া যায়নি। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে দেশে ১ থেকে দুইটি বড় ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তরের বাতাস তীব্র না হওয়াতে রাতের বেলা শীত অনুভূত হলেও এখনো দিনের বেলা সূর্যের তাপের কারণে কম অনুভূত হচ্ছে।

তবে ডিসেম্বর মাসে শীতের তীব্রতা বাড়বে এবং এক বা একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমবে।

বউকে ‘আপন বোন’ বানিয়ে চাকরি নেয়ার ঘটনায় দুই শিক্ষক বরখাস্ত

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সন্তান হিসেবে চাকরি নেয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে শিক্ষা অধিদফতর।

বরখাস্ত হওয়া দুইজন হলেন- টুপকার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার ও খেয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাপলা আক্তার।

২৭ অক্টোবর তাদের বরখাস্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, নাসরিন আক্তার রবিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা ও মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলমের স্ত্রী। আর আশরাফুলের খালাতো বোন শাপলা।

আশরাফুল বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের ছেলে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি স্ত্রী নাসরিন

ও খালাতো বোন শাপলাকে সহিদুর রহমানের নিজের সন্তান হিসেবে দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়ে দেন।

এ বিষয়ে নিয়ে ‘বউকে আপন বোন বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি’ শিরোনামে চলতি বছরের ২৯ আগস্ট ডেইলি বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here