ভারতের চণ্ডীগড় থেকে উত্তরপ্রদেশের আলিগড় আদালতে ভিন্ন ধর্মের এক তরুণীকে বিয়ে করতে এসেছিলেন এক মুসলিম যুবক। কিন্তু আদালতে ঢোকার আগেই তাকে গ্রেফতার করে আলিগড় পুলিশ।

যুবকটিকে একরকম টেনেহিঁচড়ে মেয়েটির থেকে আলাদা করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময়ে দুই নারী পুলিশের হাতে আটক পাত্রীটি চিৎকার করে কান্না করে বলতে থাকেন,

‘আমি নাবালিকা নই। ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক আছে, ওকে আমি ভালবাসি, ও আমার প্রাণ।’ কোর্ট চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকা জনতা পুলিশের ভূমিকায় হতবাক হয়ে যায়।

এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে ওই মেয়েটির একটি ছবি। যেখানে তিনি কান্না করছেন আর পুলিশ তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনা সামনে আসে এক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকের করা টুইটে।

চণ্ডীগড় থেকে ওই যুবতীকে নিয়ে পালিয়েছে মুসলিম যুবক। এ বিষয়ে একটি অভিযোগও দায়ের হয়েছে তাই চণ্ডীগড়ের পুলিশ তদন্ত করতে আলিগড় আসছে।

এও জানানো হয়েছে যুবকটি চণ্ডীগড়ে এক কাপড়ের দোকানে কাজ করেন।এই মুহূর্তে বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলো, বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশে ভিন্ন

ধর্মে বিয়ে এবং ধর্ম-পরিবর্তন রোধে ব্যাপক সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। শুধুমাত্র বিয়ের জন্য ধর্ম-পরিবর্তন করলে তাকে বৈধ মানা হবে না, উপরন্তু শাস্তি হবে।

কিন্তু ধর্ম-পরিবর্তন না করলে স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়, যদি না বাল্যবিবাহ বা জোর করে বিয়ের ঘটনা ঘটে।

তাই এক্ষেত্রে কেন গ্রেফতার হলেন মুসলিম যুবকটি সেটাই জানা যায়নি। সূত্র : আজকাল।

বউকে ‘আপন বোন’ বানিয়ে চাকরি নেয়ার ঘটনায় দুই শিক্ষক বরখাস্ত

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সন্তান হিসেবে চাকরি নেয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে শিক্ষা অধিদফতর।

বরখাস্ত হওয়া দুইজন হলেন- টুপকার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার ও খেয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাপলা আক্তার।

২৭ অক্টোবর তাদের বরখাস্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, নাসরিন আক্তার রবিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা ও মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলমের স্ত্রী। আর আশরাফুলের খালাতো বোন শাপলা।

আশরাফুল বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের ছেলে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি স্ত্রী নাসরিন

ও খালাতো বোন শাপলাকে সহিদুর রহমানের নিজের সন্তান হিসেবে দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়ে দেন।

এ বিষয়ে নিয়ে ‘বউকে আপন বোন বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি’ শিরোনামে চলতি বছরের ২৯ আগস্ট ডেইলি বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সে সময় শাপলা আক্তার বলেছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার চাকরি হয়েছে কি না, তিনি জানেন না। আশরাফুল

তার চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য ১০ লাখ টাকাও নিয়েছেন। আশরাফুল ও নাসরিন ভাই-বোন নন, স্বামী-স্ত্রী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here