রাজশাহীর সার্কিট হাউজে প্রকাশ্যে ধূমপানের জের ধরে তরুণীকে হেনস্তার পেছনের ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম শহিদ হোসেন বারেক।

তিনি উগ্র ভাষা ব্যবহার করে ওই তরুণীকে স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য করেন। পরবর্তীতে সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করলে তা ফেসবুকে ভাইরাল হয়। বর্তমানে পুলিশ খোঁজ নিচ্ছে হেনস্তা করা ওই ব্যক্তির।

ভিডিওতে দেখা যায়, ধূমপানরত অবস্থায় তরুণ-তরুণীর ওপর চড়াও হন মধ্যবয়সী শহিদ হোসেন বারেক নামে স্থানীয় এক ঠিকাদার।

সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় আরও মানুষ জড়ো হয়। তারাও চড়াও হন ওই যুগলের প্রতি। এক পর্যায়ে তাদের উঠে যেতে বলেন।

ভদ্রভাবে উঠে যেতে বলছি, আপনারা উঠে যান। তখন তরুণীর সঙ্গে থাকা তরুণ বলেন, সিগারেট ফেলে দেওয়া হয়েছে।

এখন তো ধূমপান হচ্ছে না। এখন বসে থাকতে আপত্তি কেন? তখন বারেক বলেন, এক মুহূর্ত এখানে বসা যাবে না। এখনই উঠে যান।

জানা গেছে, শহিদ হোসেন বারেক ছাত্রলীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা ছিলেন। পরে তিনি দুইবার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর

পদে ভোট করে তার ফলাফল ভরাডুবি হয়। এতে দুইবারই তার জামানত হারাতে হয়। বর্তমানে তিনি ঠিকাদারি করেন।

এবিষয়ে নগর পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক বলেন, ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানতে পুলিশ খোঁজ নিচ্ছে।

জামার্নিতে বসে ভাড়াটে খুনি দিয়ে নির্মম ভাবে মাকে হত্যা

জামার্নিতে বসে সৎ মাকে খুনের পরিকল্পনা। সে অনুযায়ী ভাড়া করা হয় খুনি। ভাড়াটে সেই খুনি ভাড়াটিয়া সেজে ঢোকেন বাড়িতে।

কুপিয়ে হত্যা করেন সেলিনা খানম নামের ওই গৃহবধূকে। পরিবারের দাবি বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেনি ছেলে। তাই এই হত্যাকাণ্ড। ওই ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের হুজুরপাড়া এলাকার এই বাড়িতে পরিবারসহ থাকতেন সেলিনা খানম। ২রা অক্টোবর রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে জখম করে।

হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।গেলো জানুয়ারিতে প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার তিনমাস পর নিজের শালিকাকে বিয়ে করেন এস এম ওবায়দুল্লাহ।

বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেননি জার্মান প্রবাসী ছেলে বিপ্লব।বাবাকে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যার হুমকি দেন ছেলে। বাবার দাবি তার ছেলেই দ্বিতীয় স্ত্রীকে ভাড়াটিয়া খুনী দিয়ে হত্যা করেছে।

নিহতের স্বামী এস এম ওবায়দুল্লাহ বলেন,’আমার ছেলেকে মিসগাইড করা হয়েছে। আমার পরিবার থেকেই এটা ঘটানো হয়েছে। সন্ত্রাসীরা এরা হলো ভাড়াটে।’

পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এই খুনের জন্য দায়ী করছেন জার্মান প্রবাসী বিপ্লবকে। ছোট মেয়ে ফারজানা ইসলাম ইতি বলেন,

‘যখন আমার বাবা বিয়ে করে বা আমরা জানতে পারি তখন আমরা এটা মেনে নিয়েছি। কিন্তু এটা নিয়ে আমার ভাই ক্ষিপ্ত ছিলো। আমরা ভাইকে আমরা কোন ভাবেই বুঝাতে পারি নাই।’

এই ঘটনায় মামলা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয় কামরাঙ্গীরচর থানায়। পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,’বাদী তার ছেলেকে সন্দেহ করছেন। আমরাও ধারণা করছি পারিবারিক কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

আমরাও সার্বিক বিষয় নিয়ে তদন্ত করছি। তদন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে। এখনও মামালার আসামিকে আমরা আটক করতে পারিনি।’হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান পরিবারের সদস্যরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here