যখন নানা কারণেই আলোচনা-সমালোচনার কবলে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম, ঠিক তখনই বাংলাদেশের মাস্টার মেকার খ্যাত নির্মাতা মালেক

আফসারী তাঁর একটি ৫০০ পর্বের ধারাবাহিকে ডেকে নিলেন এই সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচ্য ব্যক্তিকে। ধারাবাহিকের নাম মিস্টার ওয়াইফাই।

জানা গেছে, মালেক আফসারী তাঁর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলের জন্য এই দীর্ঘ ধারাবাহিক করছেন। এই ধারাবাহিকে তিনি হিরো আলমকে দিয়ে একটি চরিত্রে অভিনয় করিয়েছেন।

এ বিষয়ে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মালেক আফসারী স্যার আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করেন। আমাকে পছন্দ করেন। এর আগে তিনি বলেছিলেন,

উঠে আসা বগুড়ার এই তরুণকে নিয়ে। কিছুদিন আগে মালেক আফসারী তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে আমন্ত্রণ জানান আশরাফুল আলমকে। সেখানের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা বলেন মালেক আফসারী।

একপর্যায়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়। মালেক আফসারী জানান, তাঁর ২৫ নম্বর চলচ্চিত্র ‘হ্যাকার’-এ যদি কোনো চরিত্র সৃষ্টি করা যায়,

তাহলে সেখানে তিনি হিরো আলমকে নেবেন। সেটা সম্ভব হতেও পারে, না-ও হতে পারে। তবে ক্যারিয়ারের ২৬ নম্বর ছবিটি হিরো

আলমকে নিয়েই বানাবেন। এবং হিরো আলমের বিপরীতে বিদেশি চরিত্র থাকবে। ছবিটির প্রযোজনা করবেন হিরো আলম।

জানা গেছে, ঐতিহ্য টিভি নামক একটি ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেওয়া হবে ‘মিস্টার ওয়াইফাই।’

জামার্নিতে বসে ভাড়াটে খুনি দিয়ে নির্মম ভাবে মাকে হত্যা

জামার্নিতে বসে সৎ মাকে খুনের পরিকল্পনা। সে অনুযায়ী ভাড়া করা হয় খুনি। ভাড়াটে সেই খুনি ভাড়াটিয়া সেজে ঢোকেন বাড়িতে।

কুপিয়ে হত্যা করেন সেলিনা খানম নামের ওই গৃহবধূকে। পরিবারের দাবি বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেনি ছেলে। তাই এই হত্যাকাণ্ড। ওই ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের হুজুরপাড়া এলাকার এই বাড়িতে পরিবারসহ থাকতেন সেলিনা খানম। ২রা অক্টোবর রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে জখম করে।

হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।গেলো জানুয়ারিতে প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার তিনমাস পর নিজের শালিকাকে বিয়ে করেন এস এম ওবায়দুল্লাহ।

বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেননি জার্মান প্রবাসী ছেলে বিপ্লব।বাবাকে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যার হুমকি দেন ছেলে। বাবার দাবি তার ছেলেই দ্বিতীয় স্ত্রীকে ভাড়াটিয়া খুনী দিয়ে হত্যা করেছে।

নিহতের স্বামী এস এম ওবায়দুল্লাহ বলেন,’আমার ছেলেকে মিসগাইড করা হয়েছে। আমার পরিবার থেকেই এটা ঘটানো হয়েছে। সন্ত্রাসীরা এরা হলো ভাড়াটে।’

পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এই খুনের জন্য দায়ী করছেন জার্মান প্রবাসী বিপ্লবকে। ছোট মেয়ে ফারজানা ইসলাম ইতি বলেন,

‘যখন আমার বাবা বিয়ে করে বা আমরা জানতে পারি তখন আমরা এটা মেনে নিয়েছি। কিন্তু এটা নিয়ে আমার ভাই ক্ষিপ্ত ছিলো। আমরা ভাইকে আমরা কোন ভাবেই বুঝাতে পারি নাই।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here