হোয়াইট হাউস ছাড়লেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্থান হবে জেলে। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অপরাধী, নির্দয় ও বিশ্বাসঘাতক অ্যাখ্যা দিয়ে একথাই বললেন তাঁর ভাইঝি মেরি ট্রাম্প।

শনিবার আমেরিকার একটি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুমুল সমালোচনা করেন মেরি ট্রাম্প (Mary Trump)। বলেন,

‘করোনা মহামারীর ভয়াবহতার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প যা করেছেন শুধু তার জন্যই ওনার জেলে যাওয়া উচিত।

কারণ, তা হলেই আমেরিকা আর কোনওদিন ওনার থেকেও খারাপ কোনও শাসককে নির্বাচিত করবে না।

যে জীবনে আইনসম্মত পথে কোনওদিন জয়ী হয়নি। তাই অন্য কেউ যে সেভাবে জয়ী হতে পারেন তা বিশ্বাসই করতে পারেন না। উনি একজন অপরাধী (criminal), নির্দয় (Cruel) ও বিশ্বাসঘাতক (Traitorous)।’

ওই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও দাবি করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প হেরে গেলে আমেরিকায় প্রবল বিক্ষোভ হবে বলে কেউ কেউ দাবি করছেন।

কিন্তু, এই ধরনের ঘটনা ঘটার কোনও সম্ভাবনাই নেই। কারণ, আমেরিকার প্রায় সব মানুষ তাঁর কাজকর্মের জন্য লজ্জা অনুভব করেন।

মেরি ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে পাগলের প্রলাপ বলে কটাক্ষ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক মুখপাত্র। তাঁর কথায়, আসলে প্রেসিডেন্টের ছোট ভাইয়ের মেয়ে মেরি নিজের লেখা বইয়ের প্রচারের জন্যই

এই ধরনের উত্তেজনামূলক মন্তব্য করছেন। যাতে বইটা বিক্রি হয় তার জন্য সংবাদের শিরোনামে আসার চেষ্টা করছেন।

জামার্নিতে বসে ভাড়াটে খুনি দিয়ে নির্মম ভাবে মাকে হত্যা

জামার্নিতে বসে সৎ মাকে খুনের পরিকল্পনা। সে অনুযায়ী ভাড়া করা হয় খুনি। ভাড়াটে সেই খুনি ভাড়াটিয়া সেজে ঢোকেন বাড়িতে।

কুপিয়ে হত্যা করেন সেলিনা খানম নামের ওই গৃহবধূকে। পরিবারের দাবি বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেনি ছেলে। তাই এই হত্যাকাণ্ড। ওই ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের হুজুরপাড়া এলাকার এই বাড়িতে পরিবারসহ থাকতেন সেলিনা খানম। ২রা অক্টোবর রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে জখম করে।

হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।গেলো জানুয়ারিতে প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার তিনমাস পর নিজের শালিকাকে বিয়ে করেন এস এম ওবায়দুল্লাহ।

বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেননি জার্মান প্রবাসী ছেলে বিপ্লব।বাবাকে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যার হুমকি দেন ছেলে। বাবার দাবি তার ছেলেই দ্বিতীয় স্ত্রীকে ভাড়াটিয়া খুনী দিয়ে হত্যা করেছে।

নিহতের স্বামী এস এম ওবায়দুল্লাহ বলেন,’আমার ছেলেকে মিসগাইড করা হয়েছে। আমার পরিবার থেকেই এটা ঘটানো হয়েছে। সন্ত্রাসীরা এরা হলো ভাড়াটে।’

পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এই খুনের জন্য দায়ী করছেন জার্মান প্রবাসী বিপ্লবকে। ছোট মেয়ে ফারজানা ইসলাম ইতি বলেন,

‘যখন আমার বাবা বিয়ে করে বা আমরা জানতে পারি তখন আমরা এটা মেনে নিয়েছি। কিন্তু এটা নিয়ে আমার ভাই ক্ষিপ্ত ছিলো। আমরা ভাইকে আমরা কোন ভাবেই বুঝাতে পারি নাই।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here