সারাদেশঃ পটুয়াখালীর দশমিনা থানা পুলিশের হেফাজতে লিটন খাঁ নামে এক সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকের অস্বাভাবিক মৃ’ত্যু হয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধের জের

ধরে স্থানীয় এক মাদ্রাসা সুপারের অভিযোগের ভিত্তিতে জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় আনা হয়। এ ঘটনার সুষ্ঠু ত’দন্ত করে বিচার দাবি করেন নি’হতের স্ত্রী।

এদিকে পুলিশ বলছে, বাথরুমে গিয়ে সে বি’ষপান করেছে। এদিকে লিটন গ্রে’ফতার হওয়া আ’সামি না হওয়ায় তার শরীর তল্লা’শি করা হয়নি বলে দাবি পুলিশের।

পটুয়াখালী জে’লার দশমিনা থানার বাঁশবাড়িয়া গ্রামে রোববার বিকেলের দিকে এ ঘটনা ঘটে। লিটন খাঁ’র ভগ্নিপতি মোফিজুর রহমান জানান,

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১টার পর লিটন মা’রা যান। লিটনের স্ত্রী মাজেদা বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামীকে সুস্থ অবস্থায় ধরে নিয়ে যায় পুলিশ।

পরে লিটন অ’সুস্থ বলে খবর দেওয়া হয়। এ ঘটনার বিচার দাবি করেন তিনি। জানা গেছে, এর আগে জমি নিয়ে পাশের আকরাম

খান সিনিয়রদাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সাথে দীর্ঘদিন ধরে লিটনের বিরোধ চলছিল। থানা ও উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে

লিটনের বি’রুদ্ধে পুকুরে বি’ষ ঢেলে মাছ নিধন এবং মাদ্রাসার জমিতে অ’বৈধভাবে ঘর নির্মাণের অভিযোগ করা হয়।

এদিকে দশমিনা থানার পরিদর্শক (ত’দন্ত) আব্দুস সালাম মোল্লা জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে লিটনকে জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়।

সে গ্রে’ফতারকৃত আ’সামি না হওয়ায় তার শরীর তল্লা’শি না করে থানায় প্রবেশ করানো হয়। বাথরুমে গিয়ে সে অ’সুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

চিকিৎসক পুলিশকে জানিয়েছে লিটন বি’ষপান করেছেন। লিটনের ম’রদেহ সোমবার দুপুরে বরিশাল ম’র্গে পাঠানো হয় ও ময়নাত’দন্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

লিটন ৩ স’ন্তানের বাবা। তিনি ঢাকায় অটোরিকশা চা’লিয়ে সংসার চালাতেন। জমি নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় সমাধানের জন্য তিনি বাড়িতে এসেছিলেন। সুত্রঃ সময়

জামার্নিতে বসে ভাড়াটে খুনি দিয়ে নির্মম ভাবে মাকে হত্যা

জামার্নিতে বসে সৎ মাকে খুনের পরিকল্পনা। সে অনুযায়ী ভাড়া করা হয় খুনি। ভাড়াটে সেই খুনি ভাড়াটিয়া সেজে ঢোকেন বাড়িতে।

কুপিয়ে হত্যা করেন সেলিনা খানম নামের ওই গৃহবধূকে। পরিবারের দাবি বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেনি ছেলে। তাই এই হত্যাকাণ্ড। ওই ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের হুজুরপাড়া এলাকার এই বাড়িতে পরিবারসহ থাকতেন সেলিনা খানম। ২রা অক্টোবর রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে জখম করে।

হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।গেলো জানুয়ারিতে প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার তিনমাস পর নিজের শালিকাকে বিয়ে করেন এস এম ওবায়দুল্লাহ।

বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেননি জার্মান প্রবাসী ছেলে বিপ্লব।বাবাকে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যার হুমকি দেন ছেলে। বাবার দাবি তার ছেলেই দ্বিতীয় স্ত্রীকে ভাড়াটিয়া খুনী দিয়ে হত্যা করেছে।

নিহতের স্বামী এস এম ওবায়দুল্লাহ বলেন,’আমার ছেলেকে মিসগাইড করা হয়েছে। আমার পরিবার থেকেই এটা ঘটানো হয়েছে। সন্ত্রাসীরা এরা হলো ভাড়াটে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here