নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ননদের ছে’লের ধ”ণে কন্যা স’ন্তানের জন্ম দিয়েছেন আপন মামি। এ ঘটনায় মা’মলা হওয়ায় অ’ভিযুক্ত নাজমুল

আলম সোহানকে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) আ’টক করে পুলিশ। পরে তাকে ওই মা’মলায় গ্রে’প্তার দেখিয়ে কা’রাগারে পাঠানো হয়।

গ্রে’প্তার নাজমুল আলম সোহান সোনাইমুড়ী উপজে’লার কাইয়া গ্রামের প্রবাসী মো. মোরশেদ আলমের ছেলে। সে মায়ের সঙ্গে চৌমুহনী পৌ’রসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপুরে বসবাস করতো।

স’ন্তানের পিতার প’রিচয় না পেয়ে আজ মঙ্গলবার সকালে এক মাস বয়সী স’ন্তানকে কোলে নিয়ে থানায় হাজির হয়েছেন তিনি।

তিনি সোহানের বাড়িতে যান। কিন্তু সোহান তার দা’বি অ’স্বীকার করে। মঙ্গলবার সকালে বা’ধ্য হয়ে শি’শু স’ন্তানকে কোলে নিয়েই থানায় হাজির হন ওই না’রী।

বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (ত’দন্ত) রুহুল আমিন জানান, অ’ভিযুক্ত নাজমুল আলম সোহান ওই নারী ননদের ছে’লে।মৌখিক অ’ভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দুপুরে

তাকে চৌমুহনী পৌ’রসভার বাড়ি থেকে আ’টক করা হয়েছে।পরে তার বি’রুদ্ধে মা’মলা করেন ভু’ক্তভোগী না’রী। সেই মা’মলায় সোহানকে গ্রে’প্তার দেখিয়ে

আ’দালতে হা’জির করা হলে বিচারক তাকে কা’রাগারে পা’ঠানোর নির্দেশ দেন।অবশেষে ধ”ণ মা’মলায় এএসআই রাহেনুল গ্রে’ফতার

রংপুরে নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধ”ণের ঘটনার মূল হোতা মহানগর ডি’বি পুলিশের এএসআই রাহেনুল ইসলাম ওরফে রাজুকে অবশেষে গ্রে’ফতার করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাকে গ্রে’ফতার করে মেট্টোপলিটন পুলিশ লাইন্স থেকে নগরীর পিবিআই কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এর আগে দুইদিন তাকে মেট্টোপলিটন পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছিল ।

বর্তমানে তাকে নগরীর কেরানী পাড়ায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার তাকে আ’দালতে নেওয়া হবে।

এর আগে রংপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যা’জিস্ট্রেট আ’দালতের বিচারক জাহাঙ্গীর আলমের কাছে ২২ ধারায় দেয়া ঘটনার বর্ণনায় রাহেনুলের সম্পৃক্ততার কথা জানান ধ”ণের শি’কার স্কুলছাত্রী।

এ সময় জে’লা পিবিআই পুলিশের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন লেন, গণধ”ণের ঘটনার আগের দিন ২৩ অক্টোবর প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে

এএসআই রাহেনুল তার পূর্বপরিচিত এজাহার ভুক্ত আ’সামি ভাড়াটিয়া মেঘলার বাড়িতে নিয়ে মেয়েটির সাথে শা’রীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

পরে ওই স্কুলছাত্রী রাহেনুলের সাথে ঘোরাঘুরি করে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরলে তার মা বকাবকি করেন। এতে মেয়েটি অভিমান করে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here