বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় পুলিশকে ফোন দিয়ে গালাগাল করে ধরা খেলেন ইসতিয়াক মাহমুদ অভি নামে এক ভুয়া ‘অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক’।

গতকাল শনিবার (১২ ডিসেম্বর) বাদুরতলা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।‘অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক’ এর নামে প্রতারণা করা এই ব্যক্তি বগুড়ার সুলতানগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।

তিনি জেলার দুপচাচিয়া উপজেলার পাঁচথিতা গ্রামের হাফিজার রহমানের ছেলে ইসতিয়াক মাহমুদ অভি (২৪)।

বর্তমানে বগুড়া শহরের সুলতানগঞ্জ পাড়ায় বসবাস করেন।সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

একপর্যায়ে নিজেকে বগুড়া জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলে দাবি করেন। এমনকি পরিচয়পত্রও দেখান।

কিন্তু পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে একপর্যায়ে অভি স্বীকার করেন তিনি আসলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নন। তিনি প্রতারণার জন্য পরিচয়পত্র তৈরি করেছেন।

এরপর পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।বগুড়ার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান,

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের পরিচয়দানকারী প্রতারক অভিকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

মাদ্রাসা বন্ধ থাকলেও মাত্র ৯ মাসে কোরআন মুখস্থ করলো ৯ বছরের শিশু

ধর্মঃ ছাত্রটির মাদ্রাসা বন্ধ থাকলেও মাত্র ৯ মাসে পুরো কোরআন মাজিদ মুখস্থ করেছেন ৯ বছরের এক শি’শু।হাফেজ জুবায়ের নামে সেই শি’শুর বয়স মাত্র ৯ বছর।

পড়াশোনা করছে ঢাকার জামিয়া ইসলামিয়া জহিরুদ্দিন আহম’দ, মানিকনগর মাদ্রাসায়। জানা যায়, ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসের দিকে জুবায়ের পবিত্র কোরআন মুখস্থ করতে শুরু করে।

এরপর ক’রোনাভা’ইরাসেের কারণে চলতি বছরের মার্চ থেকে স’রকার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। কিন্তু ছোট্ট জুবায়ের বসে থাকেনি,

পড়াশোনা চা’লিয়ে গেছে বাড়িতে। নিয়মিত শিক্ষকদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে দিকনির্দেশনা নিয়ে গত ৫ জুন পবিত্র কোরআন মুখস্থ করতে স’ক্ষম হয়েছে ছেলেটি।

জুবায়েবের এই সফলতায় জুবায়েরের মাদ্রাসাটির প্রি ন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মুফতি জুবায়ের আহম’দ বলেন , শিক্ষকের কাছে সবচেয়ে ের মুহূর্ত হলো ,

যখন কোন শিক্ষার্থী সফলতা অর্জন করতে পারে। আমার কাছে মনে হচ্ছে জীবনের সবচেয়ে ের মুহূর্ত আমি এখন অনুভব করছি।

আমার একজন ছাত্র ক’রোনাকালেও মাত্র ৯ মাসে হাফেজ হয়েছে , এতে আমি অত্যন্ত িত । তিনি আরও বলেন ,

এছাড়াও কৃতজ্ঞতা জানাই হাফেজ শরিফুল ইসলামের প্রতি। তিনি আমাদের প্রতিষ্ঠা নে হিফজুল কোরআন বিভাগের শিক্ষক।

তার অক্লান্ত মেহনত এবং প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার জন্য একের পর এক সফলতা বয়ে আনছে। সূত্র : আওয়ার ইসলাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here