জাতীয় কংগ্রেসের ১ বছর পরে ঘোষণা করা হল আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের ২০১ সদস্য বিশিষ্ট পুর্ণাঙ্গ কমিটি।

আজ (শনিবার) দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই কমিটি ঘোষণা করেন।এইবারের কমিটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের পরিবারের তিন উদিয়মান রাজনৈতিক মুখের স্থান হয়েছে।

তবে তারা সবাই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছেন।সংগঠনে আগে থেকেই সভাপতি হিসাবে আছেন শেখ ফজলে শামস পরশ।

তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ভাগ্নে ও যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনির বড় ছেলে। পরশের ছোট ভাই ঢাকা দক্ষিন সিটির মেয়র ফজলে নূর তাপস।

কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন তার ছোট ভাই ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাইম।পারিবারিকভাবে শেখ ফজলে ফাহিম হচ্ছেন যুবলীগের সভাপতি

শেখ ফজলে শামস পরশের আপন চাচাতো ভাই। যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা ফজলুল হক মনির আপন ছোট ভাই হন এই শেখ ফজলে ফাহিমের বাবা শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

আবার বঙ্গবন্ধু পরিবারের অপর সদস্য, ফরিদপুর-৪ আসনের সাংসদ মুজিবর রহমান চৌধুরী নিক্সনও এবারের যুবলীগের কমিটিতে প্রেসিডিয়াম সদস্য হয়েছেন।

নিক্সনের দাদি ফাতেমা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আপন বড় বোন। সেই হিসাবে তিনি বঙ্গবন্ধুর নাতি হন।

এছাড়া বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ আবু নাসেরের ছোট ছেলে শেখ সোহেল এবারের কমিটিতে প্রেসিডিয়াম সদস্য হয়েছেন। শেখ সোহেল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ছিলেন।

সব মিলিয়ে এইবারের যুবলীগের কমিটি অনেক চমক দিয়েছে জনগনকে। ব্যারিস্টার সুমনের রাজনীতিতে পরিচিতি ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সোহাগের জায়গা পাওয়াটাও বুঝিয়ে দেয় রাজনীতি আসলেই রাজার নীতি।

মাদ্রাসা বন্ধ থাকলেও মাত্র ৯ মাসে কোরআন মুখস্থ করলো ৯ বছরের শিশু

ধর্মঃ ছাত্রটির মাদ্রাসা বন্ধ থাকলেও মাত্র ৯ মাসে পুরো কোরআন মাজিদ মুখস্থ করেছেন ৯ বছরের এক শি’শু।হাফেজ জুবায়ের নামে সেই শি’শুর বয়স মাত্র ৯ বছর।

পড়াশোনা করছে ঢাকার জামিয়া ইসলামিয়া জহিরুদ্দিন আহম’দ, মানিকনগর মাদ্রাসায়। জানা যায়, ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসের দিকে জুবায়ের পবিত্র কোরআন মুখস্থ করতে শুরু করে।

এরপর ক’রোনাভা’ইরাসেের কারণে চলতি বছরের মার্চ থেকে স’রকার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। কিন্তু ছোট্ট জুবায়ের বসে থাকেনি,

পড়াশোনা চা’লিয়ে গেছে বাড়িতে। নিয়মিত শিক্ষকদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে দিকনির্দেশনা নিয়ে গত ৫ জুন পবিত্র কোরআন মুখস্থ করতে স’ক্ষম হয়েছে ছেলেটি।

জুবায়েবের এই সফলতায় জুবায়েরের মাদ্রাসাটির প্রি ন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মুফতি জুবায়ের আহম’দ বলেন , শিক্ষকের কাছে সবচেয়ে ের মুহূর্ত হলো ,

যখন কোন শিক্ষার্থী সফলতা অর্জন করতে পারে। আমার কাছে মনে হচ্ছে জীবনের সবচেয়ে ের মুহূর্ত আমি এখন অনুভব করছি।

আমার একজন ছাত্র ক’রোনাকালেও মাত্র ৯ মাসে হাফেজ হয়েছে , এতে আমি অত্যন্ত িত । তিনি আরও বলেন ,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here