ডিজিটাল ঋণের যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ। আর এই সফলতার পেছনে মূল অবদান রাখছে সিটি ব্যাংক ও বিকাশ।

বাংলাদেশের শীর্ষ মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের গ্রাহকরা জরুরি প্রয়োজনে মোবাইলের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ঋণ নিতে পারবেন।

ঋণের সুদের হার হবে ৯ শতাংশ। এই ঋণ পেতে কোনো নথিপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। আবেদন করা যাবে বিকাশ অ্যাপে ক্লিক করে।

বিকাশে লেনদেন প্রতিবেদন ও ব্যবহারের ধরন দেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ঠিক করবে গ্রাহক ঋণ পাওয়ার যোগ্য কিনা।

সিটি ব্যাংক ও বিকাশ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রকল্প সফলভাবে শেষ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে

এই সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করবে সিটি ব্যাংক। ঋণ পাওয়ার উপযুক্ত বিকাশ গ্রাহকেরা এই সেবা পাবেন।

জানা গেছে, ঋণ নেওয়ার পরের তিন মাসে সম-পরিমাণ তিন কিস্তিতে নির্ধারিত ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হবে।

গ্রাহকের বিকাশ হিসাব থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঋণ পরিশোধ হয়ে যাবে। নির্ধারিত পরিশোধ তারিখের আগে গ্রাহককে ক্ষুদে বার্তা এবং অ্যাপসের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত তথ্য পাঠানো হবে।

সিটি ব্যাংকের এই ডিজিটাল ঋণ গ্রহণকারীরা নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করছেন কিনা, তা মূল্যায়িত হবে। পরবর্তীতে যে কোনো ধরনের ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রেই এই মূল্যায়ন বিবেচিত হবে।

কোনো গ্রাহক ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে বিধিবিধান অনুসরণে সিটি ব্যাংক ঋণ খেলাপির তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করবে।

শহরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পুরু’ষ’ত্ব

বিক্রি হচ্ছে পু’রুষত্ব- ক’লগার্লের যখন রমর’’মা ব্য’বসা তখন এসকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই।

বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পু’রুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রী’দের কাছে। কিংবা সেই সকল ম’হিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত।

ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী

দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মে’য়েরা। শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পু’রুষত্ব বি’ক্রি করছে চড়া দামে।

সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসকর্ট বিজনেসের এই রমর’’মা ব্যা’বসায় মে’য়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও, এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য।

ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে “স্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রী’র ঘরে পাঠায়।

মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল।

যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল।লক্ষ্যনীয় বি’ষয় এই যে,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here