লেখাপড়া না করলেও তিন থা’নার এসআই তিনি। এ পরিচয় দিয়েই দুই হাতে কামিয়েছেন টাকা। তবে কথায় আছে, লোভে পাপ আর পাপে মৃ’ত্যু। তেমনই ঘটল তার জীবনে।

ধ’রা খেতে হলো আসল পু’লিশের হাতে।বগুড়ায় এমনই এক ভুয়া এসআইকে ধরে পু’লিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। তার নাম সুলতান মাহমুদ আল সাব্বির।

রোববার বিকেলে শহরের সাতমাথায় এ ঘটনা ঘটে। আটক সাব্বির বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজে’লার কোহলী উত্তরপাড়ার আব্দুল হাকিমের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলের দিকে আওয়ামী লীগ কার্যালয় সংলগ্ন মেরিনা মার্কেট এলাকা থেকে হঠাৎ কয়েকজন লোক ধর ধর বলে একজনকে দৌড়ে ধরে ফেলে।

পরে জয়পুরহাট ও আশুলিয়া থা’নার এসআই বলে পরিচয় দেন।রোববার বিকেলে শহরের সাতমাথায় এলাকায় গিয়েও তিন থা’নার

এসআই বলে পরিচয় দেন সাব্বির। এতে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তাকে ধরে পু’লিশে খবর দেয়। পরে পু’লিশ তাকে আটক করে।

বগুড়া সদর থা’নার ওসি (ত’দন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, বর্তমানে সাব্বির সদর থা’না হেফাজতে রয়েছেন। তার বি’রুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শহরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পুরু’ষ’ত্ব

বিক্রি হচ্ছে পু’রুষত্ব- ক’লগার্লের যখন রমর’’মা ব্য’বসা তখন এসকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই।

বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পু’রুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রী’দের কাছে। কিংবা সেই সকল ম’হিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত।

ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী

দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মে’য়েরা। শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পু’রুষত্ব বি’ক্রি করছে চড়া দামে।

সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসকর্ট বিজনেসের এই রমর’’মা ব্যা’বসায় মে’য়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও, এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য।

ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে “স্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রী’র ঘরে পাঠায়।

মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল।

যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল।লক্ষ্যনীয় বি’ষয় এই যে,

ভার্সিটির এই ছেলে মে’য়েগু’’লোকে কখনোই আপনি ধ’রা পড়তে দেখবেন না। ধ’রা খায় ‘রাস্তার ৩০০ টাকার মেয়েটা, কিংবা কোন সস্তা প’তি’তা’ল’য়ের কোন সস্তা মে’য়ে।

অনলাইন এবং অফলাইন সব জায়গায় এই এক্সপেন্সিভ গ্রুপটা বেশ আ’ধিপত্যের সাথে বিজনেস করে। উচু লেভেলের ক’লগার্লের নামের তালিকা ঘাটলে অনেক মডেলকেও পাওয়া যাব’’ে।

ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উচ্চ শি’ক্ষিত মেধাবী মানুষ বের হওয়ার কথা, তখন সেখান থেকে বের হয় উচ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই)।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here