করোনা পরিস্থিতিতে ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল। দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৬ই জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে কওমি মাদ্রাসা ছুটির আওতায় থাকবে না।

তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান ছুটি আবার বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে কওমি মাদ্রাসার এ ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।’

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সুযোগ নেই।নতুন করে ছুটি বাড়ানোর বিকল্প নেই।

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান বলেন,‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ছুটি বাড়াতেই হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে খুলে দেওয়া হবে।’

হিজড়াদের কখনোই তিনটি জিনিস দেবেন না, দিলে আপনার সর্বনাশ হবেই

শহরের ব্যাস্ত সময় রাস্তা ঘাটে, বাসে ট্রেনে, ভিড়ের মাঝে তাদের দেখা যায়। তারা রঙিন মুখে হাত পেতে টাকা চাইতে থাকে। তারা আবদারের সুরে বলে “টাকা দে…”।

রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে এই ধরনের কথা আমা’দের মাঝে মাঝেই কানে আসে। র’ক্ত মাংসের তৈরী হলেও তাদের মানুষ বলে গন্য করেনা কেউ। তারা সমাজের অবাঞ্ছিত।

কারন তাদের মধ্যে না’রী অথবা পুরু’ষের কোন সম্পুর্ন বিশিষ্ট নেই। দুই লি’ঙ্গের অর্ধেক অর্ধেক বিশিষ্ট থাকে তাদের মধ্যে। তাদেরকে দেখতেও

হয় একটু অদ্ভুত রকমের। না তাদের ছে’লেদের মত দেখতে হয় আর না তাদের মে’য়েদের মত দেখতে।তাদের চলতি ভাষায় বলে হিজড়া।

আর যারা একটু ভদ্র ভাবে বলে তারা বলে তৃতীয় লি’ঙ্গের মানুষ। তাদের জীবন কাটে ভিক্ষা করে। অথবা কারোর বাচ্ছা হলে সেখানে

সমস্যার কারন হয়ে দাড়ায়। হিন্দু শাস্ত্র বলে এমন কিছু জিনিস আছে যা হিজড়াদের কখনো দান করতে নেই। দিলেই বি’পদ ঘনিয়ে আসে জীবনে। সেগু’লি হল…

১। স্টিলের বাসন:- অনেকে চাল, ডাল, কাঁচা সবজি দান করার সময় যে পাত্রটিতে দেন সেটিও দান করে দেন। কিন্তু শাস্ত্র বলে

তাদের যে বাসনই দেওয়া হোকনা কেনো, স্টিলের বাসন দেওয়া উচিত নয়। দিলে সংসার থেকে সু’খ শান্তি দূর হবে আর অশান্তির সৃষ্টি হবে।

২। রূপো: শাস্ত্রে আরো বলা হয়েছে যে হিজড়াদের কখনোই রূপো বা রূপোর তৈরি কোন জিনিস দিতে নেই। সেটা পরিবারের

জন্য খুব খা’রাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে। হিজড়াদের রূপো দিলে সংসারে আর্থিক মন্দা দেখা দেবে। ধীরে ধীরে পরিবার অন্ধকারে ডুবে যাবে।

৩। তেল: তৃতীয় যে জিনিস দিতে নেই সেটা হল তেল। সে যে ধরনেরই তেলই হোক না কেনো। সরষের তেল, সোয়াবিন তেল বা অন্য যে কোন তেল। শাস্ত্রে বলা হয়েছে হিজড়াদের তেল দিলে আপনার অর্থ ও সম্মান দুই হানি হতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here