অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা গত কয়েক বছর ধরেই নানা বিষয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত ব্যক্তি।

বিশেষ করে তাহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদ, প্রেমের গুঞ্জন এবং সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে বিয়ে নিয়ে। এর মাঝে তার বেশকিছু খোলামেলা ছবিও ভাইরাল হয়। সম্প্রতি সেগুলো স্থান পেয়েছে উইকিপিডিয়া প্রোফাইলে!

গত বছরের নভেম্বরে নির্মাতা ও পরিচালক ইফতেখার আহমেদ ফাহমির সঙ্গে অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ভাইরাল হয়।

সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এ অভিনেত্রীর খোলামেলা শরীরের ভিডিও চ্যাট করার কিছু ছবি।

এদিকে গত বছর ৬ ডিসেম্বর ভারতীয় বাংলা সিনেমার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে বিয়ে হয় বাংলাদেশি অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশীদ মিথিলার।

মিথিলা বর্তমানে কলকাতায় শ্বশুরবাড়িতেই অবস্থান করছেন। মাঝেমাঝেই ভারতের বিভিন্ন তারকার সঙ্গে দেখা যায় মিথিলাকে।

সম্প্রতি তাদের ছাদবাগানে বসেছে আসর। ছবিতে দেখা যায়, এক বেঞ্চে সস্ত্রীক বসে আছেন টলিউড অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য।

দাঁড়িয়ে গান গাইছেন কলকাতার কবি শ্রীজাত।তার সঙ্গে গিটার বাজাচ্ছেন টলিউড অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত। একপাশ থেকে এ দৃশ্য ভিডিও করছেন

রাফিয়াথ রশীদ মিথিলার স্বামী পরিচালক সৃজিত মুখার্জি।ছবিকে ঘিরে নেটিজনরা নানা আলোচনা-সমালোচনা করেছেন।

এর রেশ কাটতে না কাটতেই ফের ইনস্টাগ্রামে নিজের খোলামেলা ছবি প্রকাশ করলেন এই অভিনেত্রী। এর আগে এত খোলামেলা ছবি প্রকাশ করেননি মিথিলা।

শহরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পুরু’ষ’ত্ব

বিক্রি হচ্ছে পু’রুষত্ব- ক’লগার্লের যখন রমর’’মা ব্য’বসা তখন এসকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই।

বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পু’রুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রী’দের কাছে। কিংবা সেই সকল ম’হিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত।

ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী

দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মে’য়েরা। শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পু’রুষত্ব বি’ক্রি করছে চড়া দামে।

সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসকর্ট বিজনেসের এই রমর’’মা ব্যা’বসায় মে’য়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও, এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য।

ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে “স্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রী’র ঘরে পাঠায়।

মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল।

যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল।লক্ষ্যনীয় বি’ষয় এই যে,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here