হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির শাহ আহমদ শফীকে হত্যার অভিযোগ এনে পরিবারের দায়ের করা মামলার তদন্ত শুরু করেছে পিবিআই।

মামলা তুলে না নিলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হেফাজতের বর্তমান নেতৃত্ব। কিন্তু পরিবারের দায়ের করা মামলায় ক্ষুব্ধ কেন জুনায়েদ বাবুনগরীরা? কার বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে চায় তারা?

হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর তিন মাস পর, তাকে মানসিক নির্যাতন করে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে মামলা করে পরিবার।

৩৬ আসামির সবাই হেফাজতের বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরীর অনুসারী। ১৭ ডিসেম্বর মামলা গ্রহণ করে, এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

কিছু তথ্য আরো সংগ্রহ করা হবে। সবগুলোউ ধারাবাহিক চলছে।’তবে মামলাকে ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে হেফাজতের বর্তমান নেতৃত্বের দাবি,

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করায় তাদের চাপে রাখতে শফীর শ্যালককে দিয়ে মামলা করিয়েছে সরকার।

হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ‘ভাস্কর্য ইস্যুর সঙ্গে মামলার সম্পর্ক আছে। করেছে আমরা বলবো না,

মামলা করানো হয়েছে। হেফাজতের নেতাদের চাপের মুখে রাখা এটাই উদ্দেশ্য।’যদিও শফী হত্যা মামলার সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, ‘মামলা সরকার করে নাই, আপনারা এটা সবাই জানেন। যারা সংক্ষুব্ধ হয়েছেন, যারা মনে করেন অন্যায় হয়েছে তারাই মামলা করেছে।’

তারপরও হেফাজত বলছে, মামলা তুলে না নিলে কিংবা তদন্তে নেতা-কর্মীদের অভিযুক্ত করলে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আব্দুর রউফ ইউসুফী জানান, ‘যদিও আদালত বলেছেন তদন্ত করার জন্য,

যেহেতু তদন্তটা করবে সরকারের লোকেরাই, এইজন্য এই বিষয়টি এখানেই শেষ করে দেয়া সরকারের উত্তম হবে।’

দলটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউল্লাহ আমিন বলেন, ‘যদি পিবিআই কোন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে তদন্ত ভুল দেয়,

কিংবা গ্রোপাগান্ডামূলক তদন্ত রিপোর্ট দেয় সেক্ষেত্রে আমরা সরকারের বিরুদ্দে আন্দোলন করবো।’শফী হত্যা মামলার পর নিজেদের রক্ষা করতে শক্তি প্রদর্শনের পরিকল্পনা নিয়েছে হেফাজত।

সম্পাদনায়: খালেদ সুজন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here