আল্লাহ তাআলা মানুষের অনেক কাজ খুব বেশি পছন্দ করেন আবার অনেক কাজ একেবারেই ঘৃণা করেন। এসব কাজ বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত।

কারণ এ কাজগুলোর অপরাধ ব্যক্তিভেদে কমবেশি হয়ে থাকে। সে হিসেবে ৪ শ্রেণির ব্যক্তির কিছু কাজ আল্লাহ তাআলা খুব বেশি ঘৃ’ণা করেন। হাদিসে এসেছে-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, চার ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ তাআলা অপছন্দ করেন। বাংলাদেশ জার্নালের পাঠকদের নিচে তা উল্লেখ করা হলো-

অত্যাধিক কসম করে পণ্যসামগ্রী বিক্রয়কারী
এমনিতে কসম করা ঠিক নয়। আর তা যদি ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা পণ্যের গুণগতমান উপলক্ষ্যে বেশি করা হয় তবে তা খুবই মন্দ কাজ।

গরিব কিন্তু অহংকারী
অহংকার মা’রাত্মক অপরাধ। আল্লাহ তাআলা অহংকারকারীকে মা’রাত্মক ঘৃ’ণা করেন। আর এ অহংকার যদি কোনো গরিব ব্যক্তি করে থাকে তবে পরিণতি কী হবে? মহান আল্লাহ গরিব অহংকারীকে সবচেয়ে বেশি ঘৃ’ণা করেন।

বৃদ্ধ ব্যভিচারী
ব্য’ভিচার কোনো বয়সের লোকের জন্যই বৈধ নয়। যদিও যৌবনের উম্মাদনায় অনেকে বিপথে যায়, ব্যভিচারে জড়িয়ে পড়ে।

কিন্তু বৃদ্ধ ব্যক্তির জন্য ব্য’ভিচার একেবারেই যুক্তিহীন কাজ। সমাজের চোখেও তা অপরাধ হিসেবে মা’রাত্মক। তাই মহান আল্লাহ তাআলা নিজেও বৃদ্ধ ব্য’ভিচারীকে খুব বেশি ঘৃ’ণা করেন।

অ’ত্যাচারী বাদশা (শাসক বা দায়িত্বশীল)।’ (নাসাঈ, বাইহাকি)
ক্ষ’মতাধর কিংবা ক্ষমতাহীন ব্যক্তি; অ’ত্যাচারী যেই হোক সে অপরাধী। আর এ অত্যাচারী ব্যক্তি যদি দেশের কিংবা সমাজের ক্ষ’মতার ব্যক্তি

কিংবা জনপ্রতিনিধি হন তবে তা হবে মা’রাত্মক অপরাধ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বস্তরের দায়িত্বশীল,

জনপ্রতিনিধি কিংবা শাসকবর্গের মধ্যে যারা অ’ত্যাচারী; আল্লাহ তাআলা তাদের খুব বেশি ঘৃ’ণা করেন মর্মে ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্বনবি।

এ হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৪ শ্রেণির ব্যক্তিকে সাবধান করেছেন। যেসব ব্যবসায়ীর কসম করার প্রবণতা রয়েছে, তারা যেন তা পরিত্যাগ করে।

যেসব গরিবের অ’হংকার রয়েছে তারা যেন তা ত্যাগ করে। যে বৃদ্ধ লোক জেনা-ব্যভিচারে জড়িত সে যেন তা থেকে বিরত থাকে।

আর সর্বস্তরের দায়িত্বশীল ও জনপ্রতিনিধিরা প্রজা বা অধীনস্তদের প্রতি অ’ত্যাচার থেকে বিরত থাকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here