“স্কুলছাত্র ও শিক্ষিকা পা’লিয়ে বিয়ে করেছেন”, এইকথা এখন গ্রামের সবথেকে মুখরোচক খবর। সবার মুখে এখন তাদের কথাই ঘোরাঘুরি করছে।

এলাকার মানুষদের কথা শুনে জানা যায় যে স্কুল এবং কলেজের এস.এস.সি পরীক্ষার্থী স্কুলছাত্র অর্পন, তার ডাকনাম শুভ।

সে তিনদিন আগে পা’লিয়ে যায় তার ক্লাস শিক্ষিকা সুবর্নার স’ঙ্গে। জানা যায় তারা পা’লিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে।

ছেলেটি বান্দুরা গ্রামের মঞ্জুর ছেলে আর মে’য়েটি পাশের হাসানাবাদ গ্রামের মে’য়ে। এলাকাবাসী জানায় মে’য়েটির এটা তৃতীয় বিয়ে।

তার পরিবারের লোক থানায় অ’ভিযোগ করে। সেই শিক্ষিকা যে তার ছাত্রকে নিয়ে পালাবে তা কখনো কল্পনাও করতে পারেনি কেউ। সেই রাতেই পু’লিশ ত’দন্ত শুরু করে দেয়।

তারপর মঙ্গলবার রাতে ঐ শিক্ষিকার বাড়ি থেকে উ’দ্ধার করা হয় অর্পন এবং তার শিক্ষিকাকে। তখনই সেই শিক্ষিকাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বুধবার সকালে লিখিত মুচলেখায় ছাড়া পায় অর্পন। তবে সুবর্না ও অর্পন পু’লিশের কাছে দাবী করে যে তারা কোর্ট ম্যারেজ করেছে।

আরো এরকমই এক ঘ’টনা জানা যায় পলা’শী হাইস্কুলের। সেই স্কুলের এক শিক্ষক স্কুলে পড়ানোর স’ঙ্গে স’ঙ্গে প্রাইভেট টিউশনও পড়াত।

আর সেই সূত্র ধরে সেই স্কুলের দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্প’র্ক তৈরি করে শিক্ষক। শুধু তাই নয়, তার স্ত্রী’কে গো’পন রেখে আটমাস আগে বিয়ে করে সেই ছাত্রীকে।

কিছুদিন আগে সেই শিক্ষক তাকে নিয়ে ওঠে নিজের বাড়িতে। তখন সবাই এই বি’ষয়টি জানতে পারে। তারপর সেই ছাত্রীর অভিভাবকেরা এসে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

তারপর স্কুলের প্রধান শিক্ষিককে সমস্ত ব্যাপারটি জানালে স্কুল থেকে ব’হিষ্কার করা হয় ওই শিক্ষককে।

বর্তমানে ছাত্রীটি তার অভিভাবকের কাছেই আছে। পু’লিশ এই ঘপটনার ত’দন্ত শুরু করায় প’লাতক ওই শিক্ষক।

পু’লিশ চেষ্টা করছে তাকে গ্রে’ফতার করার। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন এই ব্যাপারে তার কিছুই জানা নেই, ছাত্রীর অভিভাবকের মুখেই তিনি প্রথম শোনেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here