হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগরের সভাপতি হয়েছেন মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব এবং সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হক।

আজ শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দলটি ২০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করেছে। বিষয়টি আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী।

খিলগাঁও জামিয়া ইসলামিয়া মাখজুনুল উলূম মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদীস আল্লামা নূরুল ইসলাম জিহাদীকে হেফাজতে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত

মহাসচিব মনোনীত করে কেন্দ্রীয় কমিটি সম্প্রসারণ করে ২০১ সদস্য বিশিষ্ট করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে ঢাকা মহানগর হেফাজতে ইসলামের কমিটিও।

কমিটিকে সম্প্রসারণ করে ২০১ সদস্য বিশিষ্ট করা হয়। পাশপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন আমিরে হেফাজত শায়খুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলাম,

মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াহইয়া, মুফতী জসিম উদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনাইদ আল হাবীব, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা লোকমান হাকীম,

মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির, মাওলানা হাবীবুল্লাহ আজাদী, মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী,

সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, অর্থ সম্পাদক মুফতী মুনির হোসাইন কাসেমী, প্রচার সম্পাদক

মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, সহকারী অর্থ সম্পাদক হাফেজ মুহাম্মদ ফয়সাল, মুহাম্মদ আহসানুল্লাহ প্রমুখ।

বৈঠকে সংগঠনের নায়েবে আমির ঢাকা জামিয়া নূরিয়া কামরাঙ্গিচরের মহাপরিচালক আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজিকে সিনিয়র নায়েবে আমির,

সহকারী মহাসচিব মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মাওলানা শফিক উদ্দীন, মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী ও মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবীকে

যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়। এছাড়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির পরিধি আরও বৃদ্ধি করে ২০১ সদস্য বিশিষ্ট করা হয়।

নিজের স্কুলের ছাত্রকে নিয়ে পা’লিয়ে বিয়ে করলেন শিক্ষিকা। তারপরেই ঘটে গেলো অঘটন…

“স্কুলছাত্র ও শিক্ষিকা পা’লিয়ে বিয়ে করেছেন”, এইকথা এখন গ্রামের সবথেকে মুখরোচক খবর। সবার মুখে এখন তাদের কথাই ঘোরাঘুরি করছে।

এলাকার মানুষদের কথা শুনে জানা যায় যে স্কুল এবং কলেজের এস.এস.সি পরীক্ষার্থী স্কুলছাত্র অর্পন, তার ডাকনাম শুভ। সে তিনদিন আগে পা’লিয়ে যায় তার ক্লাস শিক্ষিকা সুবর্নার স’ঙ্গে। জানা যায় তারা পা’লিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে।

ছেলেটি বান্দুরা গ্রামের মঞ্জুর ছেলে আর মে’য়েটি পাশের হাসানাবাদ গ্রামের মে’য়ে। এলাকাবাসী জানায় মে’য়েটির এটা তৃতীয় বিয়ে।

বিভিন্ন সময় ওই শিক্ষিকা নানা অজুহাতে ওই ছাত্রের বাড়ি যেত। কেউ সেই বি’ষয়ে নজর দেয়নি কারন তাদের ছাত্র শিক্ষিকার সম্প’র্ক ছিল।

পু’লিশ ও স্থানিয় সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী গত সোমবার রাতে প্রেমের টানে ছাত্রের হাত ধরে প’লাতক শিক্ষিকা। ছেলেটি অপ্রা’প্তব’য়স্ক হওয়ায়

তার পরিবারের লোক থানায় অ’ভিযোগ করে। সেই শিক্ষিকা যে তার ছাত্রকে নিয়ে পালাবে তা কখনো কল্পনাও করতে পারেনি কেউ। সেই রাতেই পু’লিশ ত’দন্ত শুরু করে দেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here