মধ্যবিত্তদের জন্য খুশির খবর! মাত্র ১৫০ জমা করেলেই পাবে ২৫ লক্ষ টাকা – এবার মধ্যবিত্তের জন্য এক ভালো খবর, দৈনিক ১৫০ টাকা করে রাখলেই

পেয়ে যাবেন ২০ বছর পর ২৫ লক্ষ টাকা।আমরা পিপিএফ নিয়েও সবটাই জানি দেখা যায় এর থেকে অনেক বেশী টাকা আমরা খরচ করে থাকি।

কিন্তু এখন থেকে যদি দেখা যায় সেই টাকা আমরা খরচ না করি আর সেটা সঠিক জায়গায় সেভিংস করি,

তাহলে কয়েকবছর পরেই তার ভালো একটা ফল পাবো। আসলে আজকাল যে বাজার, যেখানে মধ্যবিত্তের কাছে এই সেভিংস কথাটি বিলুপ্ত হতে চলেছে,

আপনি খুব সহজেই দৈনিক ১০০-১৫০ টাকা সেভিংস করতে পারবেন। আর সব ঠিক থাকলে আপনি মাত্র ৪৫ বছর বয়সে পেয়ে যাবেন ২৫ লক্ষ টাকা।

আপনার বয়স ৩০ মধ্যে হলে এটাই সবথেকে ভালো একটা সময়। এদিকে ১৫ বছরের যদি হিসেব করা যায় তাহলে দেখা যাবে আপনি পাবেন ৮.১০ লক্ষ টাকা, আর সেটার ওপরে সুদ মিলিয়ে পাবেন ১৫.৮৩ লক্ষ টাকা।

আর এদিকে ২০ বছর রাখলে পেয়ে যাবেন ১০.৮০ লক্ষ টাকা আর সেটার ওপরে ৮ % সুদ হলে মোট টাকা হবে ২৬. ৬৮ লক্ষ টাকা, তাহলে আপনি চিন্তা করুন কত টাকা লাভ হবে আপনার এখান থেকে।

এদিকে পিপিএফে অনেক সুদের হার বেশী। আর আপনি সেটা ১০০ টাকা দিয়েই অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে। তো সেই হিসেবে দেখা গেলে নূন্যতম ৫০০টাকা ইনভেস্ট করতেই হবে।

আর সর্বাধিক করা যাবে ১.৫ লক্ষ টাকা। তবে এখানে ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিসে অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধাও পাওয়া যাবে।

নিজের স্কুলের ছাত্রকে নিয়ে পা’লিয়ে বিয়ে করলেন শিক্ষিকা। তারপরেই ঘটে গেলো অঘটন…

“স্কুলছাত্র ও শিক্ষিকা পা’লিয়ে বিয়ে করেছেন”, এইকথা এখন গ্রামের সবথেকে মুখরোচক খবর। সবার মুখে এখন তাদের কথাই ঘোরাঘুরি করছে।

এলাকার মানুষদের কথা শুনে জানা যায় যে স্কুল এবং কলেজের এস.এস.সি পরীক্ষার্থী স্কুলছাত্র অর্পন, তার ডাকনাম শুভ। সে তিনদিন আগে পা’লিয়ে যায় তার ক্লাস শিক্ষিকা সুবর্নার স’ঙ্গে। জানা যায় তারা পা’লিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে।

ছেলেটি বান্দুরা গ্রামের মঞ্জুর ছেলে আর মে’য়েটি পাশের হাসানাবাদ গ্রামের মে’য়ে। এলাকাবাসী জানায় মে’য়েটির এটা তৃতীয় বিয়ে।

বিভিন্ন সময় ওই শিক্ষিকা নানা অজুহাতে ওই ছাত্রের বাড়ি যেত। কেউ সেই বি’ষয়ে নজর দেয়নি কারন তাদের ছাত্র শিক্ষিকার সম্প’র্ক ছিল।

পু’লিশ ও স্থানিয় সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী গত সোমবার রাতে প্রেমের টানে ছাত্রের হাত ধরে প’লাতক শিক্ষিকা। ছেলেটি অপ্রা’প্তব’য়স্ক হওয়ায়

তার পরিবারের লোক থানায় অ’ভিযোগ করে। সেই শিক্ষিকা যে তার ছাত্রকে নিয়ে পালাবে তা কখনো কল্পনাও করতে পারেনি কেউ। সেই রাতেই পু’লিশ ত’দন্ত শুরু করে দেয়।

তারপর মঙ্গলবার রাতে ঐ শিক্ষিকার বাড়ি থেকে উ’দ্ধার করা হয় অর্পন এবং তার শিক্ষিকাকে। তখনই সেই শিক্ষিকাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বুধবার সকালে লিখিত মুচলেখায় ছাড়া পায় অর্পন। তবে সুবর্না ও অর্পন পু’লিশের কাছে দাবী করে যে তারা কোর্ট ম্যারেজ করেছে।

আরো এরকমই এক ঘ’টনা জানা যায় পলা’শী হাইস্কুলের। সেই স্কুলের এক শিক্ষক স্কুলে পড়ানোর স’ঙ্গে স’ঙ্গে প্রাইভেট টিউশনও পড়াত।

আর সেই সূত্র ধরে সেই স্কুলের দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্প’র্ক তৈরি করে শিক্ষক। শুধু তাই নয়, তার স্ত্রী’কে গো’পন রেখে আটমাস আগে বিয়ে করে সেই ছাত্রীকে।

কিছুদিন আগে সেই শিক্ষক তাকে নিয়ে ওঠে নিজের বাড়িতে। তখন সবাই এই বি’ষয়টি জানতে পারে। তারপর সেই ছাত্রীর অভিভাবকেরা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here