ভ’য়ানক মেট্রো দু’র্ঘটনা নেদারল্যান্ডে, কপাল জোরে রক্ষা পেলেন চালক। শেষ স্টেশনে না থেমে ট্রেনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্টেশনের পাঁচিল ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসে।

ঠিক যেন কোনও সিনেমা’র দৃশ্য। শুনতে রোমাঞ্চকর লাগলেও ঘটনাটি অত্যন্তই ভ’য়ানক।ঘটনাটি ঘটেছে নেদারল্যান্ডের রটারড্যাম শহরে।

জানা যায়, মেট্রোটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, এর জেরে শেষ স্টেশনে পৌঁছনোর পরেও তা প্ল্যাটফর্মে না থেমে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।

এরপর স্টেশনের পাঁচিল ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসে। বাইরে এসে শূন্যে ভাসছিল ট্রেনটি, নেপথ্যে তিমির লেজ।

এই স্থাপত্যের বিশেষত্ব হল ওই দুই তিমি মাছের দৈত্যাকার লেজ। পাঁচিল ভেঙে বেরিয়ে আসার পর ট্রেনের সামনের দিকের বগিটি আশ্চর্যজনকভাবে ওই তিমি মাছের লেজে আট’কে যায়,

এর ফলে ট্রেনটি নীচে পড়ে যেতে পারেনি।দু’র্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষ’তি হলেও বড় ধরণের কোনও ক্ষ’তি হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।

প্রাণহানিরও কোনও খবর নেই। বেঁচে গিয়েছেন ট্রেনের চালকও। তিনি এখনও পর্যন্ত রীতিমতো ভয় পেয়ে আছেন।

জানা গিয়েছে যে ট্রেনে কেবল চালকই ছিলেন, কোনও যাত্রী ছিল না।ঘটনার পরেই সেখানে উপস্থিত হন ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট ও বিশেষজ্ঞেরা।

জরুরী পরিষেবার ভিত্তিত্তে ট্রেনটিকে স্টেশনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। মেট্রোটি কীভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেল, এ নিয়েও খতিয়ে দেখা হবে বলে পু’লিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
মুসলমানদের সুশৃঙ্খল জীবন দেখে মুসলিম হই

যুক্তরাষ্ট্রের ছোট্ট শহর নিউ হ্যাম্পশায়ারে আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। আমার পরিবার ছিল খুবই দরিদ্র। মা আমাদের খাওয়ার সময় চার্চে পাঠিয়ে দিতেন।

কেননা চার্চ দরিদ্র মানুষকে খাবার দিত। এভাবে চার্চ আমার জীবনের অংশ হয়ে ওঠে। মা-বাবার অধীনে একটি শহরে বসবাস, দারিদ্র্য, একঘেয়ে কৈশোর জীবন আমার দৃষ্টি ছোট করে ফেলেছিল।

ফলে মাত্র ১৫ বছর বয়সে আমি গর্ভবতী হই এবং ১৯ বছর বয়সে দুই সন্তানের মা। মেয়েরা ছিল আমার জন্য আশীর্বাদ।

আমি মন্দ পথের পথিক ছিলাম। তাদের জন্য আমি সুপথে ফিরে এলাম এবং তাদের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করলাম।

আমি চাচ্ছিলাম, আমি যেভাবে বড় হয়েছি আমার মেয়ে তার চেয়ে ভালো জীবন লাভ করুক। ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর আমি কনজারভেটিভ রাজনীতির সঙ্গে পুরোপুরি জড়িয়ে পড়ি।

দীর্ঘ সময় আমি ফক্স নিউজ দেখে এবং রেডিওর আলোচনা শুনে কাটিয়েছি। কেউ আমার সামনে ইসলামের পক্ষে কথা বললে,

আমি তার সঙ্গে এমনভাবে ঝগড়ায় লিপ্ত হতাম যেন আমি তার চেয়ে অনেক বেশি জানি।এরপর সময় খুব দ্রুত চলে গেল।

মার মেয়েরা স্নাতক সম্পন্ন করার পর আমাকে ছেড়ে চলে যায়। ১৮-১৯ বছর বয়সে তারা চাকরি খুঁজে নিল এবং পৃথক বাসায় উঠল।

অন্যদিকে বড় একটি ঘরে আমি একা হয়ে যাই, সব কাজ একা করতে থাকি এবং অনুভব করি সব কিছু আমাকে ছেড়ে যাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here