পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন পূর্বে দক্ষিণ রফিয়াদি গ্রামের মোতাহার মীরের ছেলে সজীব মীরের সঙ্গে বরিশাল নগরীর

কাউনিয়া সাবান ফ্যাক্টরি এলাকার আবুল কালাম হাওলাদারের মেয়ে রুনা বেগমের বিয়ে হয়। দুইদিন পূর্বে রুনা বেগমকে বাবার বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়ি নেয়া হয়।

মঙ্গলবার বৌভাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কনে বাড়ি থেকে ৪৮ জন স্বজন সেই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।

বৌভাতে কনে পক্ষের লোকজন খেতে বসার পর গরুর মাংস কম দেয়া নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কা’টাকাটি হয়। পরে হাতাহাতির এক পর্যায়ে দুইপক্ষের মধ্যে ব্যাপক সং’ঘর্ষ হয়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

ম’রদেহ উ’দ্ধার করে ম’য়নাত’দন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রমজান মাসে যেভাবে শারীরিক স’ম্পর্কে লি’প্ত হবেন

আল্লাহ তাআলা কিছু স্থান ও সময় ব্যতীত সব সময় ও সকল স্থানে স্ত্রী’ সহ’বাস হালাল করেছেন। মহান আল্লাহ পবিত্র রমজান মাসেও সহ’বাস হালাল করেছেন।

তবে তা কখনই রোজা অবস্থায় করা যাবে না। রমজানে বা রোজায় দিনে সহ’বাস করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে;

বিধায় ইফতারির পর থেকে শুরু করে সেহরির আগ পর্যন্ত যে কোন সময় যৌন মিলন করা যায়।সহ’বাসের কারণে যদি রোযা ভেঙ্গে যায়,

তাহলে সারা জীবন ধরে কাফফারা আদায় করলেও তাঁর সমান হবে না। সারাদিন রোজার পর যদি খুবই অধৈর্য হয়ে পড়েন,

তাহলে রাতে এমন সময় সহ’বাস করবেন যাতে সেহরী খাওয়ার আগেই পূত:পবিত্র হতে পারেন।অর্থ: “সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রী’দের নিকট গমন হালাল করা হয়েছে।

তারা তোমাদের জন্য পরিচ্ছদ এবং তোম’রা তাদের জন্য পরিচ্ছদ। আল্লাহ জেনেছেন যে, তোম’রা নিজদের সাথে খিয়ানত করছিলে।

অ’তঃপর তিনি তোমাদের তাওবা কবূল করেছেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন। অ’তএব, এখন তোম’রা তাদের সাথে মিলিত হও এবং

আল্লাহ তোমাদের জন্য যা লিখে দিয়েছেন, তা অনুসন্ধান কর।” (বাকারা : ১৮৭)আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে,

তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোযা রেখে স্ত্রী’কে চুম্বন করতেন; স্ত্রী’র সাথে মুবাশারা (আলি’ঙ্গন) করতেন।

এবং তিনি ছিলেন তাঁর যৌ’নাকাঙ্ক্ষাকে নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে সক্ষম ব্যক্তি।ফরজ রোযা পালনকারী স্বামীর জন্য তার স্ত্রী’র সাথে এমন কিছু করা জায়েয হবে না;

যাতে করে তার বীর্যপাত হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সব মানুষ এক রকম নয়। কারো বীর্যপাত দ্রুত হয়ে যায়; আবার কারো ধীরে ধীরে হয় এবং

সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার সক্ষমতা রাখে। যেমনটি আয়েশা (রাঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স’ম্পর্কে বলেছেন যে,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here