অন্তিম রোগশয্যায় আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)— এর শিক্ষাপ্রদ কথোপকথনঃ ইবনে—কাসীর ইবনে আসাকী’রের বরাত দিয়ে এই ঘটনা বর্ণনা করেন যে,

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) যখন অন্তিম রোগশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওসমান (রাঃ) তাঁকে দেখতে যান৷ তখন তাঁদের মধ্যে শিক্ষাপ্রদ যে কথোপকথন হয় তা নিম্নরুপঃ-

→হযরত ওসমানঃ ما تشتكي আপনার অ’সুখটা কি?
→হযরত ইবনে মাসউদঃ ذنوبي আমা’র পাপসমূহই আমা’র অ’সুখ৷
→ওসমান গণীঃ ما تشتهي আপনার বাসনা কি?

→ইবনে মাসউদঃ رحمة ربي আমা’র পালনক’র্তার রহমত কামনা করি৷
→ওসমান গণীঃ আমি আপনার জন্যে কোন চিকিৎসক ডাকব কি?
→ইবনে মাসউদঃ الطبيب امرضني চিকিৎসকই আমাকে রোগাক্রান্ত করেছেন৷

সুরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্প’র্শ করবে না। হ’জরত ইবনে মাসউদ [রা.] তাঁর মে’য়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সুরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। [বাইহাকি:শুআবুল ঈ’মান-২৪৯৮]

ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সুরা, সুতরাং তোম’রা নিজেরা তা পড় এবং তোমাদের সন্তানদেরকেও এ সুরার শিক্ষা দাও।

অন্য এক বর্ণনায় আছে: তোমাদের নারীদেরকে এ সুরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হ’জরত আয়েশা [রা.] কে এ সুরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল।

তাছাড়া অভাবের সময় এ সুরার আমলের কথাটা তো হাদিস দ্বারাই প্রমানিত। এমনকি বর্ণিত আছে যে হ’জরত ইবনে মাসউদ [রা.] কে

যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিনারও রেখে না যাওয়ার কারণে তিরস্কার করা হলো তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাদের জন্য আমি সুরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম। [ফয়জুল কাদির-৪/৪১]

সুবহানাল্লাহ! মহান রাব্বুল ইজ্জতের পবিত্র কালামের বরকত কত পাওয়ারফুল আপনি-আমি তা অনুধাবন করতে পারি কি?

তাই আসুন সকলে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠের এই অ’তি মূল্যবান আমলটি প্রতিদিন আদায় করার চেষ্টা করি৷ আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে আমল করার তাওফিক দিন৷ আমীন
রমজান মাসে যেভাবে শারীরিক স’ম্পর্কে লি’প্ত হবেন

আল্লাহ তাআলা কিছু স্থান ও সময় ব্যতীত সব সময় ও সকল স্থানে স্ত্রী’ সহ’বাস হালাল করেছেন। মহান আল্লাহ পবিত্র রমজান মাসেও সহ’বাস হালাল করেছেন।

তবে তা কখনই রোজা অবস্থায় করা যাবে না। রমজানে বা রোজায় দিনে সহ’বাস করলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে;

বিধায় ইফতারির পর থেকে শুরু করে সেহরির আগ পর্যন্ত যে কোন সময় যৌন মিলন করা যায়।সহ’বাসের কারণে যদি রোযা ভেঙ্গে যায়,

তাহলে সারা জীবন ধরে কাফফারা আদায় করলেও তাঁর সমান হবে না। সারাদিন রোজার পর যদি খুবই অধৈর্য হয়ে পড়েন,

তাহলে রাতে এমন সময় সহ’বাস করবেন যাতে সেহরী খাওয়ার আগেই পূত:পবিত্র হতে পারেন।অর্থ: “সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রী’দের নিকট গমন হালাল করা হয়েছে।

তারা তোমাদের জন্য পরিচ্ছদ এবং তোম’রা তাদের জন্য পরিচ্ছদ। আল্লাহ জেনেছেন যে, তোম’রা নিজদের সাথে খিয়ানত করছিলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here