লীয় শৃ’ঙ্খলা ভ’ঙ্গের অ’ভিযোগ এনে ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জার বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ভাইয়ের নাম উল্লেখ না করে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দলের নিয়ম শৃঙ্খলার ঊর্ধ্বে কেউ নয়।

আজ বুধবার (৬ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যু’ক্ত হয়ে দলীয় শৃঙ্খলার ইস্যুতে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এমন একটি পার্টি, এই পার্টিতে সভাপতি শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ দলে অ’পরিহার্য নয়।

ব্যক্তিগতভাবে সভাপতি শেখ হাসিনা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অ’ভিযোগে যে কোনো ধরনের শা’স্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন।

নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই। শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে শেখ হাসিনা ব্যবস্থা নেবেন।

এ ব্যাপারে আম’রা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত কেউ ছাড় পাব না।নিজের ভাই বলে কাদের মির্জা ছাড় পাবেন- এমনটি না ভাবার পরাম’র্শ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন,

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অ’ভিযোগে শা’স্তি এটা বিশেষ কারও ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার বিষয় নয় এবং সুযোগও নেই।ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভা’র তিন বারের মেয়র। আগামী ১৬ জানুয়ারির ভোটে ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবার প্রার্থী হয়েছেন।

গত রোববার হঠাৎ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে সম’র্থকদের নিয়ে তিনি রাস্তা অবরোধ করেন। দাবি করেন নোয়াখালী জে’লা প্রশাসনের পদত্যাগের।

সেদিন কাদের মির্জার একটি বক্তব্য ফেসবুকে ভাই’রাল হয়। এ সময় কাদের মির্জা বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালীতে ক্ষমতাসীন দলের বেশিরভাগ সংসদ সদস্যরা সুষ্ঠু ভোটে জিততে পারবেন না।

ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতার বি’রুদ্ধে স’ন্ত্রাসী লালন, চাকরির নিয়োগে ঘুষ আদায়সহ নানা অ’ভিযোগও আনেন ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই কাদের মির্জা।

সন্তান নিতে চাই, কতবার মেলামেশা জরুরি: ডা. কাজী ফয়েজা

বিয়ের পর সংসারে সন্তান-সন্তুতি আসবে, এটাই তো নিয়ম। সেটি পরিকল্পিতভাবে আসুক সেটিই সবাই চায়। কিন্তু অনেক দাম্পত্য জীবনে সব কিছু পরিকল্পিতভাবে হয়ে উঠে না।

কেউ কেউ সন্তান না চাইলেও নিজের অজান্তে গ*ধারণ হয়ে যায়। আবার অনেকে সন্তান চেয়েও বছরের পর বছর কাটিয়ে দেন কিন্তু সোনামুনির মুখ দেখেন না।

সন্তান হওয়ার জন্য বয়স, খাদ্যাভাস, লা’ইফস্টাইল অনেক কিছুই নির্ভর করে।অনেকে বেশি বয়সে বিয়ে করেন।

তাঁরা প্রত্যাশামাফিক সন্তানের বাবা-মা হতে পারেন না। আমা’র কাছে কিছু রোগী আসেন, যাদের বিয়ে হয়েছে মাত্র এক মাস।

তাদেরকে শ্বশুর শ্বাশুড়ী নিয়ে আসেন।তাদের অ’ভিযোগ, পুত্রবধু সন্তানের মা হতে পারছেন না।আমি তখন বলি, বিয়ে হয়েছে মাত্র একমাস।

এখনই সন্তানের জন্য এত অস্থির হচ্ছেন কেন? তখন তারা আমাকে উত্তর দেয়, প্রেগ*ন্সির জন্য একমাসও লাগে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here