ঢেঁড়সকে আমা’রা সধারণত মনে করি গুরুত্ত্বহীন৷ কিন্তু এই ঢেঁড়স আমা’দের শরীরে অজান্তেই অনেক উপকার করে৷

ঢেঁড়সের কিছু গুণ রয়েছে যা শরীরকে অনেক রোগ থেকে রক্ষা করে৷ঢেঁড়সে রয়েছে সলিউবল ফাইবার পেকটিন যা র’ক্তের বাজে কোলেস্টেরলকে কমাতে সাহায্য করে।

ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে অনেক ওষুধ গুণ। এর মধ্যে রয়েছে আঁশ, ভিটামিন এ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।

এ ছাড়া রয়েছে আরও অনেক গুণ। হেলদি ফুড টিম দিয়েছে ঢেঁড়সের ১০ গুণের কথা, যা জানার পর প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ঢেঁড়স রাখতে চাইবেন আপনি।

মিসক্যারেজ হওয়া প্রতিরোধ করে।ঢেঁড়স ত্বকের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে শরীরের টিস্যু পুনর্গঠনে ও ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।

ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টি ইনফ্লামেটোরি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। অ্যাজমার লক্ষণ বৃদ্ধি প্রতিরোধে এবং অ্যাজমার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ঢেঁড়স বেশ উপকারী।

ঢেঁড়স কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। ঢেঁড়সের উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্ষতিকর ফ্রি রেডিকেলসের বি’রুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করে।

ঢেঁড়স রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এ ছাড়া আরো প্রয়োজনীয় মিনারেল যেমন ক্যালসিয়াম,

ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।ঢেঁড়সে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ আঁশ যা হজমে সাহায্য করে।

পেকটিন অন্ত্রের স্ফীতিভাব কমায় এবং অন্ত্র থেকে বর্জ্য সহজে পরিষ্কার করে।ঢেঁড়স চুলের কন্ডিশনার হিসেবে বেশ ভালো।

এটি খুসকি দূর করে এবং শুষ্ক মাথার ত্বকের জন্য উপকারী।ঢেঁড়স বিষণ্ণতা, দুর্বলতা এবং অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে।

ঢেঁড়সে আছে বেটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, লিউটিন যা চোখের গ্লুকোমা, চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে।

সন্তান নিতে চাই, কতবার মেলামেশা জরুরি: ডা. কাজী ফয়েজা

বিয়ের পর সংসারে সন্তান-সন্তুতি আসবে, এটাই তো নিয়ম। সেটি পরিকল্পিতভাবে আসুক সেটিই সবাই চায়। কিন্তু অনেক দাম্পত্য জীবনে সব কিছু পরিকল্পিতভাবে হয়ে উঠে না।

কেউ কেউ সন্তান না চাইলেও নিজের অজান্তে গ*ধারণ হয়ে যায়। আবার অনেকে সন্তান চেয়েও বছরের পর বছর কাটিয়ে দেন কিন্তু সোনামুনির মুখ দেখেন না।

সন্তান হওয়ার জন্য বয়স, খাদ্যাভাস, লা’ইফস্টাইল অনেক কিছুই নির্ভর করে।অনেকে বেশি বয়সে বিয়ে করেন।

তাঁরা প্রত্যাশামাফিক সন্তানের বাবা-মা হতে পারেন না। আমা’র কাছে কিছু রোগী আসেন, যাদের বিয়ে হয়েছে মাত্র এক মাস।

তাদেরকে শ্বশুর শ্বাশুড়ী নিয়ে আসেন।তাদের অ’ভিযোগ, পুত্রবধু সন্তানের মা হতে পারছেন না।আমি তখন বলি, বিয়ে হয়েছে মাত্র একমাস।

এখনই সন্তানের জন্য এত অস্থির হচ্ছেন কেন? তখন তারা আমাকে উত্তর দেয়, প্রেগ*ন্সির জন্য একমাসও লাগে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here