কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজে’লার পশ্চিম পানিমাছকুটি গ্রামে সদ্য খনন করা কবরের মাটিতে পাওয়া গেছে আরবি হরফের ন্যায় ছাপ।

আর তাতেই উৎসুক জনতার ঢল নেমেছে ওই স্থানে। মানুষের ভিড় সামলাতে ও এলাকার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ওই কবরের পাশে পুলিশ মোতায়েন করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, বুধবার (৬ জানুয়ারি) রাতে পানিমাছকুটি গ্রামের মৃ’ত জব্বার মুন্সির ছেলে ইসরাঈল হোসেন ঢাকায় মৃ’ত্যুবরণ করেন।

তার ম’রদেহ দাফনের উদ্দেশে গ্রামের বাড়িতে কবর খনন করা হয়। কবর খননের সময় স্থানীয় এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী কবরের গায়ে মাটিতে আরবি হরফের লিখা দেখতে পান।

হঠাৎ কবরের গায়ের মাটিতে আরবি হরফ দেখা যায়। কবরের আকার বড় হতে থাকলে আরবি হরফের চিহ্ন মুছে যাচ্ছিল না বরং আরও স্পষ্ট হচ্ছিল।

পরে স্থানীয় আলেমরা নিশ্চিত করেন যে ছাপগুলো আরবি হরফের। কবরের গায়ের এক পাশে আরবি হরফে বিসমিল্লাহ,

ইয়া ও শিন লেখার হরফের ছাপ এবং অপর পাশে মিম, হা এবং মিম হরফের ছাপ রয়েছে। স্থানীয় ওসি রাজীব কুমার রায় বলেন, খবর পেয়ে ওই কবরের স্থানে পুলিশ সদস্যদের পাঠানো হয়েছে।

আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সারাজীবন ফ্রি চিকিৎসা দিয়েছেন এই ডাক্তার

পিতার ইচ্ছানুযায়ী যুবক বয়স থেকেই মিসরের তানতা শহরের ছোট একটি ক্লিনিকে দরিদ্র মানুষকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা দিয়ে গেছেন মুহাম্ম’দ মাশালি।

যদিও তিনি কারও কাছ থেকে ফি নিতেন—সেটা মিসরীয় ১০ পাউন্ডের বেশি নয়। আজ থেকে ৪০ বছর আগে মৃ’ত্যুশয্যায়

পিতা আব্দুল গফফার মাশালি চিকিৎসক পুত্র মুহাম্ম’দ মাশালিকে এই উপদেশ দেন যে, আজীবন পুত্র যেন অ’সহায় মানুষকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা দিয়ে জীবনকে দরিদ্র মানুষের জন্য নিবেদন করেন।

পিতার ইচ্ছানুযায়ী তিনি তা-ই করেছেন।একসময় পর্দার আড়ালের এই মহা’নায়ককে মিসরের জনগণ-ই ভালোমতো চিনতো না।

কিন্তু যিনি দেশের অ’সহায় ও অস্বচ্ছল মানুষের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে এত বড় সেবা দিলেন—মৃ’ত্যুর আগে সৃষ্টিকর্তা তাঁকে বিশ্বব্যাপী বিপুল পরিচিতি দান করলেন।

দেশ ছাপিয়ে আজ পৃথিবীর নানাপ্রান্তের মানুষের মুখেমুখে ছড়িয়ে পড়েছে মানবতার এই চিকিৎসকের নাম ও কর্মের প্রশংসা।

মুহাম্ম’দ মাশালি তানতায় যখন নিজ চেম্বারে বসতেন, তখন তাঁর ক্লিনিকের সামনে গরিব রো’গীদের লম্বা লাইন ছিল দৈনন্দিনের চিত্র।

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রো’গীরা ফ্রি কিংবা অল্প ফি-তে চিকিৎসা নিতেন। এমনকি অনেক রো’গী এবং তাদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তাও দিতেন তিনি।

ড. মাশালি কেন এমন জীবন বেছে নিলেন জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে তিনি জানান, তাঁর পরিবারও যথেষ্ঠ স্বচ্ছল ছিল না,

অস্বচ্ছলতার ক’ষ্ট তিনি বুঝতেন। সেই উপলব্ধি থেকেই অস্বচ্ছলদের সঙ্গে চলার পথ বেছে নেওয়া।এই চিকিৎসক তানতায় হঠাৎ ব্লাডপেশার হ্রাসের কারণে ইন্তেকাল করেন।

১৯৪৪ সালে জন্মগ্রহণকারী ৭৫ বছর বয়সী এই গরিবের বন্ধু পৃথিবীকে বিদায় জানালেও এখনও তাঁর মিশন অব্যাহত রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here