বি’ক্ষো’ভে উত্তাল হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। আমেরিকার আইন-প্রণেতারা যখন নভেম্বরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে

জো বাইডেনের জয় আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করার জন্য অধিবেশনে বসেছিলেন, প্রে’সিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রা’ম্পের শত শত সমর্থক তখন আমেরিকার আইনসভা কংগ্রেসের ভবন ক্যাপিটল-এ ঢুকে পড়ে।

দিনের শুরুতে হাজার হাজার ট্রা’ম্প সমর্থক “আমেরিকা বাচাও” নামক একটি গণজমায়েতে অংশ নিতে ওয়াশিংটনে আসে।

প্রে’সিডেন্ট ট্রা’ম্প এই জনসভায় ভাষণ দিয়ে জো বাইডেনের বিজয় অনুমোদন করার বি’রুদ্ধে বক্তব্য রাখেন।

পরে ‘মেডিকেল ইমার্জেন্সি’ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় আ’হত আরও তিনজনের মৃ’ত্য হয়। এ ঘটনায় এখন পযন্ত ৫২ জনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে-

যাদের মধ্যে ৪৭ জনকে কারফিউ ভাঙার জন্য গ্রে’ফতার করা হয়।

আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সারাজীবন ফ্রি চিকিৎসা দিয়েছেন এই ডাক্তার

পিতার ইচ্ছানুযায়ী যুবক বয়স থেকেই মিসরের তানতা শহরের ছোট একটি ক্লিনিকে দরিদ্র মানুষকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা দিয়ে গেছেন মুহাম্ম’দ মাশালি।

যদিও তিনি কারও কাছ থেকে ফি নিতেন—সেটা মিসরীয় ১০ পাউন্ডের বেশি নয়। আজ থেকে ৪০ বছর আগে মৃ’ত্যুশয্যায়

পিতা আব্দুল গফফার মাশালি চিকিৎসক পুত্র মুহাম্ম’দ মাশালিকে এই উপদেশ দেন যে, আজীবন পুত্র যেন অ’সহায় মানুষকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা দিয়ে জীবনকে দরিদ্র মানুষের জন্য নিবেদন করেন।

পিতার ইচ্ছানুযায়ী তিনি তা-ই করেছেন।একসময় পর্দার আড়ালের এই মহা’নায়ককে মিসরের জনগণ-ই ভালোমতো চিনতো না।

কিন্তু যিনি দেশের অ’সহায় ও অস্বচ্ছল মানুষের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে এত বড় সেবা দিলেন—মৃ’ত্যুর আগে সৃষ্টিকর্তা তাঁকে বিশ্বব্যাপী বিপুল পরিচিতি দান করলেন।

দেশ ছাপিয়ে আজ পৃথিবীর নানাপ্রান্তের মানুষের মুখেমুখে ছড়িয়ে পড়েছে মানবতার এই চিকিৎসকের নাম ও কর্মের প্রশংসা।

মুহাম্ম’দ মাশালি তানতায় যখন নিজ চেম্বারে বসতেন, তখন তাঁর ক্লিনিকের সামনে গরিব রো’গীদের লম্বা লাইন ছিল দৈনন্দিনের চিত্র।

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রো’গীরা ফ্রি কিংবা অল্প ফি-তে চিকিৎসা নিতেন। এমনকি অনেক রো’গী এবং তাদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তাও দিতেন তিনি।

ড. মাশালি কেন এমন জীবন বেছে নিলেন জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে তিনি জানান, তাঁর পরিবারও যথেষ্ঠ স্বচ্ছল ছিল না,

অস্বচ্ছলতার ক’ষ্ট তিনি বুঝতেন। সেই উপলব্ধি থেকেই অস্বচ্ছলদের সঙ্গে চলার পথ বেছে নেওয়া।এই চিকিৎসক তানতায় হঠাৎ ব্লাডপেশার হ্রাসের কারণে ইন্তেকাল করেন।

১৯৪৪ সালে জন্মগ্রহণকারী ৭৫ বছর বয়সী এই গরিবের বন্ধু পৃথিবীকে বিদায় জানালেও এখনও তাঁর মিশন অব্যাহত রয়েছে।

সম্প্রতি হুসনি কুতুব নামে মিসরীয় এক চিকিৎসক মুহাম্ম’দ মাশালির মিশন জারি রাখার ঘোষণা দিয়ে তাঁর মতোই ওই ক্লিনিকে ফের ফ্রি চিকিৎসাসেবা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনিও গরিব রো’গীদের থেকে সর্বোচ্চ ১০ পাউন্ড ফি নেবেন।মুহাম্ম’দ মাশালির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে ইতোমধ্যেই তিনি ক্লিনিকটি খোলার ঘোষণা দিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here