চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা ” লিখেছিলেন জীবনানন্দ।বাঙালির কাছে ঘন কালো চুলের বাহার চিরকালেই নজরকাড়া।

কিন্তু ব্যস্ততার জীবনে চুলের যত্ন না নেওয়ার ফলে চুলের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাচ্ছে , পড়ে যাচ্ছে চুল।আমা’দের দৈনন্দিন কিছু অভ্যেসই

কিন্তু আমা’দের চুলের স্বাস্থ্যকে ভাল রাখতে সাহায্য করতে পারে।আসুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিনের জীবনযাপনেও কীভাবে আম’রা নিতে পারি আমা’দের চুলের যত্ন।

রোজের খাওয়াদাওয়ার উপরে অনেকটাই নির্ভর করে চুলের স্বাস্থ্য।তাই চুল ভাল রাখতে খাওয়াদাওয়া ঠিক করে করতে হবে।

কেমিক্যাল উপাদানযুক্ত শ্যাম্পূ ব্যবহার করবেন না।এতে চুলের ক্ষতি হয়।কোনও মাইল্ড শ্যাম্পূ ব্যবহার করে চুল ধুয়ে নিন।

ড্রাই চুল হলে এমন কোনও শ্যাম্পূ ব্যবহার করুন যাতে চুলের ন্যাচারাল অয়েল বজায় থাকে।আর চুল যদি হয় অয়েলি তাহলে এমন শ্যাম্পূ ব্যবহার করুন যাতে স্ক্যাল্পের তৈলাক্ত ভাব না বাড়ে।

মনে রাখবেন শ্যাম্পূ শুধুমাত্র মাথার স্ক্যাল্পকে পরিষ্কার করে।চুলকে রুক্ষ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে শ্যাম্পূ করার পরে অবশ্যই কন্ডিশনার লাগাবেন।

ডিম চুলকে কোমল রাখতে সাহায্য করে।নর্মাল চুল হলে গোটা ডিম, ড্রাই চুল হলে ডিমের কুসুমের অংশটি এবং অয়েলি চুল হলে ডিমের সাদা অংশটি

চুলে লাগিয়ে ধুয়ে নিলে তা কন্ডিশনারের কাজ করবে।মাথার স্ক্যাল্পে চুলকুনি হলে ২ চামচ পাতিলেবুর রস, ২ চামচ অলিভ অয়েল ও একটু জল মিশিয়ে নিয়ে

মিশ্রণটি মাথার স্ক্যাল্পে মাসাজ করে নিন।তারপরে ২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন ।পাতিলেবুর রস মাথার শুষ্ক কোষ দূর করবে ও অলিভ অয়েল নরম করবে চুলকে।

চুল পড়ার সমস্যায় সকলেই কমবেশি নাজেহাল ।চুল পড়া কমাতে ব্যবহার করুন অ্যালোভেরা জেল। অ্যালোভেরা মাথার স্ক্যাল্পের পি এইচ লেভেল বজায় রাখতে সাহায্য করে ।

অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে আধ চামচ পাতিলেবুর রস, ২ চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে নিন।মিশ্রণটি স্ক্যাল্পে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন ।চুল পড়া কমবে।

খুসকির সমস্যা খুবই বির’ক্তিকর । স্ক্যাল্পের মৃ’ত কোষ বা দূষণের জন্য ধুলো ময়লা জমে খুসকি হয় ।খুসকির হাত থেকে মুক্তি পেতে খানিকটা

কন্ডিশনারের সঙ্গে দ্বিগুণ পরিমান ব্রাউন সুগার মিশিয়ে নিয়ে স্ক্যাল্পে ভালভাবে ঘষে মাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন । দূর হবে খুসকির সমস্যা ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here