দেশের কোন না কোন জায়গায় প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনায় আর এই সড়ক দুর্ঘটনার ফলে খালি হচ্ছে অনেক মায়ের কোল এবং

না ফেরার দেশে চলে যাচ্ছে অনেকে মূলত সড়ক দুর্ঘটনা বাংলাদেশ ইতিপূর্বে এর আগেও ব্যাপকহারে তবে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য

চেষ্টা করছে সরকার এইসব ঘটনা গুলো যাতে করে কমানো যায় সেজন্য বেপরোয়া গতির যানবাহন এবং সড়কে বিশৃঙ্খলা থাকার কারণে প্রতিনিয়ত এ ধরনের দুর্ঘটনা দেশে ঘটছে

নরসিংদীর পলাশের খায়রুন নাহার (৩৫), কামনা আক্তার (২৫) ও জামিয়া বেগম তৃশা (১৮)। সম্পর্কে তাঁরা আপন তিন বোন।

একই পরিবারের তিনজন মারা যাওয়ার ঘটনায় স্বজনসহ পুরো এলাকাবাসী শোকে স্তব্ধ।এ ঘটনায় প্রাইভেট কারের চালক নোয়াব আলী (৫৪) নামের

আরেকজন নি’/হ’/ত হয়েছেন এবং রুনা আক্তার (৩০) নামের একজন গুরুতর আ’/হ’/ত হন। নিহত নোয়াব আলী কুষ্টিয়ার মিরপুরের ইয়াকুব আলীর ছেলে।

তিনি গাজীপুরের একটি কারখানার বায়িং হাউজের ব্যবস্থাপক ছিলেন। আর আ’/হ’/ত রুনা আক্তার নিহত খায়রুন নাহারসহ ওই তিনজনের সম্পর্কে খালাতো বোন।

রুনা আক্তারের পরিচয়েই তাঁরা চার বোন মিলে নতুন বছর উপলক্ষে নোয়াব আলীর সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে ছিলেন বলে জানান পরিবারের স্বজনরা।

শনিবার সকালে তিন বোনের ম’র’দেহ লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে করে চরসিন্দুর ইউনিয়নের চলনা গ্রামে নিজ বাড়িতে পৌঁছালে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ তাদেও একনজর দেখতে জড়ো হন।স্বজনরা জানান, তিন বোনের বাবা আশাদুজ্জামান মারা যান প্রায় ২০ বছর আগে।

অভাব-অনটনের সংসারে একমাত্র উপার্জনের হাতিয়ার ছিল বড় বোন খায়রুন নাহার। তিনি লেখাপড়া শেষ করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সের কাজ করতেন।

মেজ মেয়ে কামনাও সবেমাত্র লেখাপড়া শেষ করে একটি চাকরি করার চেষ্টা করছিলেন। সবার ছোট মেয়ে জামিয়া বেগম তৃশা অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিল।

প্রতিবন্ধী একটি ভাই ও বৃদ্ধা মাকে নিয়ে ভালোই চলছি তাদের সংসার।ছোট বোন দুটিকে লেখাপড়া শিখিয়ে ভালো মানুষ করার চিন্তায় এখনো বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়নি বড় বোন খায়রুন নাহার।

গত শুক্রবার দুপুরে ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিন উপলক্ষে বেড়ানোর জন্য খালাতো বোন রুনার পরিচিত নোয়াব আলীর প্রাইভেট কারে করে খায়রুন নাহার,

কামনা ও তৃশা ভৈরবে ঘুরতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে তাদের বহনকারী প্রাইভেট কারটি বেলাব উপজেলার জাঙ্গুয়া এলাকায় পৌঁছালে

বিপরীত দিক থেকে আসা আল মোবারকা পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস অপর আরেকটি বাসকে অতিক্রম করার সময় তাদের প্রাইভেট কারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে প্রাইভেট কারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক নোয়াব আলীসহ তিন বোন /’নি’/’হ’/’ত’ হন।

গুরুতর আহত অবস্থায় রুনাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় অসাবধানতা এবং

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here