প্রবাসীর স্ত্রীকে অ’ন্তঃস’ত্ত্বা করার অ’ভিযোগে ব্রা’হ্ম’ণবাড়িয়ার ন’বীনগর উপজে’লার শ্রীরা’মপুর গ্রামের আবু ওলাইয়া খানকা শরিফের তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা সিরাজুল ই’সলামকে (৪৮) গ্রে’ফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার তাকে কা’রাগারে পাঠানো হয়েছে। মাওলানা সিরাজুল ই’সলাম হবিগঞ্জ জে’লার মাধবপুর উপজে’লার বড়গাঁ গ্রামের মৃ’ত আশিকুল ই’সলামের ছেলে।

পৌর এলাকার ওই প্রবাসীর স্ত্রী বা’দী হয়ে ন’বীনগর থা’নায় মা’মলা দা’য়ের করেন।জানা যায়, খানকার তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা সিরাজুল ই’সলাম লোকজনকে ঝা’ড়ফুঁ’ক দিতেন।

এ খানকায় আশপাশের গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে না’রী-পুরুষ সমবেত হন।পাশের গ্রাম ভোলাচং গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীও এ

তাকে গ্রে’ফতারের বিষয়টি নবীনগর থানার ওসি আমিনুর রশিদ নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান,বৃহস্পতিবার সারাদিন স্থানীয়দের মাঝে এ ঘ’টনায় কা’নাঘু’ষা ও উ’ত্তেজনা বিরাজ করছিল।

এ খবর জানতে পেরে পু’লিশ গিয়ে ঘ’টনার স’ত্যতা পেয়ে খানকার তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা সিরাজুল ই’সলামকে সন্ধ্যায় আ’টক করে। রাতেই ওই প্রবাসীর স্ত্রী বা’দী হয়ে মা’মলা করেন।

তৈরি হল বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ট্রেন, ছুটবে যাত্রীবাহী বিমানের চেয়েও দ্রুত ট্রেন

দিন যত যাচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি ততই এগিয়ে চলেছে এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে ব্যাপকভাবে তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে

বিভিন্ন দিক গুলো যেমন উন্নত হচ্ছে ঠিক তেমনি মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এসেছে ব্যাপকভাবে এবং কোন রকম কষ্ট এবং

পরিশ্রম ছাড়াই মানুষ এখন তার কার্য সম্পাদন করতে পারছে অনায়াসে যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে ব্যাপক বিপ্লব এসেছে এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে

বর্তমান সময়ে অতি দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় মানুষ চলে যেতে পারছে কোনরকম ভোগান্তি ছাড়াই যেটি আগে সম্ভব হচ্ছিল না

আগে অসীমদা গান্ধী পোহানোর পর মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারত বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ট্রেন বানানোর দাবি করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

যে ট্রেনটি ঘণ্টায় পাড়ি দেবে ১ হাজার কিলোমিটার পথ। যাত্রীবাহী বিমানের চেয়েও দ্রুতগতি সম্পন্ন ট্রেন বানিয়েছে দেশটির দি কোরিয়া রেলরোড রিসার্চ ইনস্টিটিউট। খবর জিনিউজের।

এদিকে, দেশটির প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রেনটি চলবে সুপারসনিক স্পিডে। এক ঘণ্টায় পাড়ি দেবে হাজার কিলোমিটার পথ।

অর্থাৎ যাত্রীবাহী বিমানের থেকেও দ্রুত ছুটতে পারবে এই বিশেষ ট্রেন।হাইপার টিউব ট্রেনটি দক্ষিণ কোরিয়ায় হাইপারলুপ ট্রেন এর নতুন সংস্করণ।

আর এই হাইপারলুপ প্রজেক্টের কাজ ২০১৭ সাল থেকে করে আসছে দেশটি।প্রথমবারের মতো এই ট্রেনের সফল পরীক্ষা হয়েছিল গত বছরের সেপ্টেম্বরের মে মাসে।

সেসময় যদিও ঘণ্টায় ৭১৪ কিলোমিটার বেগে ছুটেছিল ট্রেনটি। তবে প্রস্তুতকারক সংস্থা দাবি করছে যে, ত্রুটিমুক্ত করায় এর গতি আগের চেয়ে বেশি হবে।

আগামী ২০২২ থেকে ২০২৪ এর মধ্যে এই ট্রেন যাত্রী সেবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলেও জানিয়েছে দি কোরিয়া রেলরোড রিসার্চ ইনস্টিটিউট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here