রাজধানীর কলাবাগানে স্কুলছাত্রী আনুশকা নূর আমিনকে (১৭) ধ”ণের পর হ’’ত্যার মা’মলায় অ’ভিযুক্ত তানভীর ইফতেফার দিহানের (১৮) মা ঘটনা সম্পর্কে গণমাধ্যমে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়েছেন।

সেখানে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন তিনি। একজন মা হিসেবে এ ঘটনায় তিনি অত্যন্ত ম’র্মাহত জানিয়ে ন্যায়বিচার চেয়েছেন।

নিচে দিহানের মায়ের বক্তব্য তুলে ধরা হলো-ই-মেইল বার্তায় দিহানের মা লিখেছেন, গত ৭ জানুয়ারি আমার বাসায় আমার ছেলে দিহান ও ওর বান্ধবী (….) এর ঘটনায় আমি হতবাক।

একজন মা ও নারী হিসেবে এ ধরনের ঘটনা মেনে নেয়া খুবই ক’ষ্টকর। এরপর গত দুইদিন আমি কোনো সংবাদমাধ্যমে কথা বলিনি।

আমি আমার অ’সুস্থ পিতাকে দেখতে যাওয়ার জন্য দিহানকে বাসায় একা রেখে বগুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হই। আমার অন্য ছেলে নিজের কর্মস্থলে ছিল।

যমুনা সেতু পার হওয়ার পর বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে প্রাথমিকভাবে জানতে পারি মডার্ন হাসপাতালে দিহানের বান্ধবী মা’রা গেছে।

সে কারণে দিহানকে পুলিশ গ্রে’ফতার করেছে। দ্রুত ঢাকায় এসে দেখি পুলিশ আমার বাসায়। জানলাম মেয়েটি আমার বাসায় দিহানের সঙ্গে দেখা করতে এসে ধর্ষিত হয়েছে এবং

মা’রা গেছে।’‘মা হিসেবে আরও আগে থেকেই একটু আন্দাজ করতে পেরেছি, আমার ছেলে কোনো একটি সম্পর্কে জড়িয়েছে।

কিন্তু কোন মেয়ের সাথে তা জানা ছিল না। তবে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে মেয়েটির (……) নামের ফেসবুক আইডিতে দিহানের সাথে ঘনিষ্ঠ ছবি,

দিহানকে নিয়ে কবিতা লিখা ইত্যাদি দেখে মনে হলো এই মেয়েটির সঙ্গেই দিহান সম্পর্কে জড়িয়েছে। আমি ধারণা করছি আমি বাসা থেকে বের হওয়ার পর

দিহান মেয়েটির সাথে যোগাযোগ করলে মেয়েটি আমার বাসায় আসে। দিহানের সাথে বিশ্বস্ততার সম্পর্ক ছিল বিধায় মেয়েটি আমার বাসায় এসেছিল।’

‘আমি মনে করি ধ”ণ বা হ’’ত্যার উদ্দেশ্যে দিহান মেয়েটিকে বাসায় ডাকেনি। একজন আরেকজনকে ভালোবাসে,

সেই হিসেবে একান্তভাবে সময় কা’টানোর জন্যই হয়ত ডেকেছিল। উভ’য়ের বয়স কম, একজন নাবালিকা এবং আমার ছেলেরও বয়স ১৮ বছর ৭ মাস অর্থাৎ কি’শোর।

আবেগের বসে উভ’য়েই শা’রীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছিল এবং অপরিপক্কতার পরিচয় দিয়েছে। পরবর্তীতে যা হয়েছে তা নিতান্তই দু’র্ঘটনা মনে হচ্ছে।

আমার ছেলে ধ’র্ষক বা হ’’ত্যাকারী হলে সে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করতো কিন্তু সে তা করেনি। সে নিজে গাড়ি করে মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। মেয়েটির মাকে ফোন করেছে,

পুলিশের কাছে ঘটনা স্বীকার করেছে।আমার ছেলে যদি মেয়েটির সাথে অন্যায় করে তাহলে একজন নারী হিসেবে আমিও আমার ছেলের যথাযথ বিচার হোক সেটা চাই।

কিন্তু মেয়েটির ইচ্ছায় শা’রীরিক সম্পর্ক হয়েছিল কিনা এবং একমাত্র শা’রীরিক সম্পর্কের কারণেই র’ক্তক্ষরণ ও

মৃ’ত্যু হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ প্রশাসনের উপর আমি বিশ্বাস রাখতে চাই এবং বিচার বিভাগের উপর আস্থা রাখতে চাই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here