আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করে সংগঠন গড়ে তোলার জন্য কাজ করেন।

বাংলাদেশে বোধহয় একজনই সংগঠন করার জন্য মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করেছিলেন, তিনি হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

রোববার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনায়

তিনি এসব কথা বলেন। গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সীমিত পরিসরে আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলনের পর থেকে বঙ্গবন্ধুকে বারবার কারাবরণ করতে হয়। বঙ্গবন্ধু যেখানেই গেছেন,

সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। আবার তিনি জামিন পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধু মানুষের জন্য কাজ করতেন বলেই শাসকরা বারবার তাকে জেলে পাঠিয়েছেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধু গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। স্বাধীন রাষ্ট্র পরিচালনার সব নির্দেশনা ছিলো জাতির জনকের ৭ মার্চের ভাষণে।

মাত্র সাড়ে তিন বছরে তিনি একটি স্বনির্ভর বাংলা গড়ে তুলেছিলেন।শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতাকে যারা ব্যর্থ করতে চেয়েছিল আজ তারাই ব্যর্থ।

বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসাবে সারাবিশ্বে যে মর্যাদা পেয়েছে এই মর্যাদা ধরে রেখে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবো এবং

জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা আমরা গড়ে তুলবো। জাতির পিতার এই প্রত্যাবর্তন দিবসে, এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা।

১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। বাঙালি জাতির মহান মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিক ইতিহাসের একটি অনন্য মাইলফলক।

এদিন পূর্ণতা পায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বাধীনতা। স্বাধীনতার ২৩ দিন পর ১৯৭২ সালের এদিন অর্থাৎ ১০ জানুয়ারি বেলা ১টা ৪১ মিনিটে

অবিসংবাদিত নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। এর মধ্যদিয়ে স্বাধীন জাতি বিজয়ের পূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করে।

ঐতিহাসিক দিবসটি পালনে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

গণভবন প্রান্তে আলোচনা সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ।

বঙ্গবন্ধু এভিনিউ প্রান্তে সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এতে আরও বক্তব্য রাখেন-

দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, রমেশ চন্দ্র সেন, আবদুল মতিন খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

মাহাবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা,

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শেখ বজলুর রহমান, আবু আহমেদ মান্নাফী, এসএম মান্নান কচি ও হুমায়ুন কবির।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here