তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর বলছে, বিমানের সন্ধান না মিললেও সাগরের এখানে-সেখানে ভেসে উঠছে দেহাবশেষ,

জামাকাপড় ও লাইফ জ্যাকেটসহ নানা জিনিসপত্র। হেলিকপ্টার ও জলযান নিয়ে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন কর্মীরা। অনেক মৃতদেহের খণ্ডিত অংশ মিলেছে।

শনিবার (৯ জানুয়ারি) জাকার্তা থেকে পনতিয়ানাক যাওয়ার পথে সাগরে বিধ্বস্ত হয় ওই বিমান। এতে ১২ ক্রু ও ৫০ জন যাত্রী ছিলেন।

সবাই ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। এর আগেও পুরনো বিমান ব্যবহার ও দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে।

এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে বিমানটি তিন হাজার মিটার নিচে নেমে আসে। তারপর আর যোগাযোগ করা যায়নি বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এদিকে লাকি দ্বীপের আশপাশের এলাকা থেকে দুটি সংকেত পাওয়া গেছে। একটি সংকেত বিধ্বস্ত বিমান থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ওই এলাকায় এরই মধ্যে বেশ কয়েকজনের দেহাবশেষ পাওয়া গেছে। উদ্ধারকারী সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,

রোববার বিকেল পর্যন্ত তারা পাঁচটি ব্যাগ গ্রহণ করেছে, যেগুলোতে দেহাবশেষ ছিল। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, শিশুদের গোলাপি রঙের একটি জামা,

বিমানের ভাঙা চাকা ও টায়ার এবং লাইফ জ্যাকেটও পাওয়া গেছে। বিমানের ৬২ আরোহীর সবাই ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। তাদের মধ্যে ১০ শিশুও ছিল।

ইন্দোনেশিয়ার সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এজেন্সি জানায়, লাকি ও লানচাং দ্বীপের বাইরের দিকের একটা নির্দিষ্ট এলাকা ঘিরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

ওই এলাকায় সাগরের গভীরতা ২০ থেকে ২৩ মিটার।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার কারণ জানা যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,

বেশির ভাগ বিমান দুর্ঘটনার পেছনে একাধিক কারণ থাকে। আর সেগুলো শনাক্ত করতে ন্যূনতম সময় প্রয়োজন।

তবে বিমানের ব্ল্যাক বক্স হাতে পেলে বেশকিছু প্রশ্নের উত্তর মিলবে।এর আগে ২০১৮ সালের অক্টোবরে ইন্দোনেশিয়ার লায়ন এয়ারের বোয়িং

৭৩৭ ম্যাক্স বিমান বিধ্বস্ত হলে ১৮৯ আরোহীর সবাই নিহত হন। ওই ঘটনায় আড়াই কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দেয় বোয়িং।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here